Dhupguri: ফুটবল খেলে বাড়ি ফিরে স্নান করেছিল কিশোর, তারপরই কান ফাটানো আর্তনাদ, কিছু বোঝার আগে সব শেষ

14-year-old footballer dies in Dhupguri: বাড়িতে হিমাদ্রির চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তাঁরা দেখতে পান, অসুস্থ অবস্থায় ছটফট করছে হিমাদ্রি। সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি তাকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Dhupguri: ফুটবল খেলে বাড়ি ফিরে স্নান করেছিল কিশোর, তারপরই কান ফাটানো আর্তনাদ, কিছু বোঝার আগে সব শেষ
কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃতের পরিজনরাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 12, 2026 | 9:22 AM

ধূপগুড়ি: ফুটবল খেলতে গিয়ে বুকে আঘাত পেয়েছিল। বাড়ি ফিরেই সব শেষ। মৃত্যু হল এক ১৪ বছরের কিশোর ফুটবল খেলোয়াড়ের। ঘটনাটি জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ির। মৃত কিশোরের নাম হিমাদ্রি দাস সরকার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

হিমাদ্রির বাড়ি ধূপগুড়ি ব্লকের ডাউকিমারিতে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির পাশের মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়েছিল সে। ডাউকিমারি স্কুলের মাঠে ফুটবল খেলার সময় তার বুকে বলের জোরালো আঘাত লাগে বলে পরিবারের দাবি। প্রথমে ব্যথা অনুভব করলেও খেলা শেষে বাড়ি ফিরে স্নান করে সে। এরপর আচমকাই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে।

বাড়িতে হিমাদ্রির চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তাঁরা দেখতে পান, অসুস্থ অবস্থায় ছটফট করছে হিমাদ্রি। সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি তাকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন হিমাদ্রির মা-সহ পরিবারের সদস্যরা।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ ছিল হিমাদ্রির। ডাউকিমারি হাইস্কুলের মাঠ, বারণীর মাঠ-সহ এলাকার বিভিন্ন মাঠে নিয়মিত ফুটবল খেলত। ফুটবলই ছিল তার অন্যতম প্রিয় খেলা। সেই প্রিয় খেলাই যে শেষ পর্যন্ত তার প্রাণ কেড়ে নেবে, তা কল্পনাও করতে পারেনি পরিবার।

প্রতিবেশী মিঠুন সরকার বলেন, “দুপুর দুটো নাগাদ হিমাদ্রি খেলতে মাঠে যায়। খেলা শেষে বাড়ি ফিরে স্নান করার পর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে। বাড়ি থেকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে ছুটে এসে দেখি, হিমাদ্রি অসুস্থ অবস্থায় রয়েছে। এরপর তড়িঘড়ি তাকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।”

হিমাদ্রির মা ডাউকিমারি স্কুলের প্যারা-টিচার। পাশাপাশি পরিবারের নিজস্ব একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলও রয়েছে। যার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। চার সদস্যের পরিবারে হিমাদ্রির অকাল মৃত্যুতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ফুটবল খেলার সময় বুকে চোট লাগার কারণেই এই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত নয়। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us