
জলপাইগুড়ি: রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে একাধিক অভিযোগ ছিল পূর্বতন সরকারের আমলে। কোনও স্কুলে পড়ুয়া নেই, কোথাও আবার পড়ুয়া আছে তো পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই। সরকারি স্কুলে বেহাল অবস্থা বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় উঠে এসেছে। এবার সেই স্কুলশিক্ষার (School Education) আমুল পরিবর্তন করার পরিকল্পনা শুরু সরকারের। স্কুলের পড়ুয়াদের (School Students) উপস্থিতি বাড়াতে নয়া সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ।
রবিবার ‘অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘে’র ১১ তম জেলা সম্মেলন উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। সেখানে গিয়েই তিনি জানিয়েছেন, স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য এবার বায়োমেট্রিক হাজিরার ব্যবস্থা করা হবে। এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাপ কমবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, “এর ফলে শিক্ষকদের উপর চাপ কমবে। প্রথম থেকে বলে দেওয়া হবে কম উপস্থিতি হলে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।”
এছাড়া সব স্কুলে যথাসময়ে নিয়োগ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। রাজ্যের ১০০০ স্কুলে অত্যাধুনিক ল্যাব তৈরি হবে। এর জন্য স্কুল পিছু ২০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হচ্ছে। প্রাথমিক স্কুলগুলিতে নূন্যতম ৩ জন শিক্ষক রাখা হবে, একইসঙ্গে আপার প্রাইমারি স্কুলগুলিকে হাইস্কুলের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকার।
স্কুলে পঠন পাঠন বজায় রাখার পাশাপাশি জনগণনার কাজ কীভাবে চলবে, সে কথাও এদিন উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই দুই প্রক্রিয়াকে একইসঙ্গে চালিয়ে নিতে প্রয়োজনে বিদ্যালয়গুলিতে সকালে ক্লাস নেওয়ার ব্যাবস্থা করা হতে পারে।”