
জলপাইগুড়ি: ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসা। ওদলাবাড়ি থেকে বালি, পাথর নিয়ে এসেছিলেন ব্যবসায়ী। দোকানের সামনেই বালির বস্তা ফাঁকা করেন। এরপর তাতে বেলচা চালাতেই বেরিয়ে এল মর্টার শেল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হুলুস্থুলু পড়ে যায় ময়নাগুড়িতে। থানার পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় সেনাকেও। পৌঁছয় বম্ব স্কোয়াড।
ময়নাগুড়ি ব্লকের রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা ভিকি রায়ের বালি, পাথরের ব্য়বসা। বাড়িতেই ব্যবসা করেন তিনি। বাড়ির সামনে থাকে মজুত করা বিভিন্ন সামগ্রী। বৃহস্পতিবার সকালে কর্মীরা বালি সরাচ্ছিলেন। আচমকাই তার ভিতর থেকে একটি মর্টার শেল বেরিয়ে আসে। ময়নাগুড়ি থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর ছড়াতেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। ময়নাগুড়ি থানার পুলিশকে খবর দেন বিকি। এরপর তারাই সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ।
সেনাবাহিনীর বম্ব স্কোয়াড টিম আসে ঘটনাস্থলে। পরীক্ষানিরীক্ষা করার পর নিষ্ক্রিয় করা হয় সেই মর্টার শেল। এগিয়ে তা নিষ্ক্রিয় করার সময় ভয়ঙ্কর শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। বিকি রায়ের কথায়, “ওদলাবাড়ি থেকে আমি জিনিস আনি। তা এনে এখানে রাখা ছিল। কর্মীরা তা বেলচা দিয়ে তোলার সময় দেখেন মর্টার শেল। কিছুদিন আগে তিস্তাপাড়ে পাওয়া গিয়েছিল এরকম জিনিস। আমার মাথায় সেটা ছিল। তাই সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে খবর দিই।”
স্থানীয় বাসিন্দা ভাস্কর রায়ের কথায়, “শুনলাম মর্টার শেল পাওয়া গিয়েছে। বালি, পাথর আনার সময় এটা আসে বলে শুনলাম। এরকম চলতে থাকলে তো মুশকিল। আমার মনে হয় যারা বালি, পাথরের ব্যবসা করে একটু নজর রেখে মালপত্র আনা উচিত। কোনও কারণে বিস্ফোরণ হলে তো বড় বিপদ হয়ে যাবে। খুবই ঘাবড়ে গিয়েছি আমরা দেখে।”