
জলপাইগুড়ি: বাড়ি জলপাইগুড়িতে। কাজের জন্য থাকতেন আলিপুরদুয়ারে। বাড়িতে রয়েছে স্ত্র-সন্তান। ছুটিতে এসেছিলেন নিজের বাড়ি। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটাবেন কেউ কিছু বুঝেই উঠতে পারেনি। বাইরে থেকে দেখে বোঝাও যায়নি যে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। পরে আত্মহননের পথ বেছে নিতেই পরিষ্কার হল সবটা। স্ত্রী-পুত্রকে একা করে সারা জীবনের মতো চলে গেলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর। নিজের বাড়ি থেকেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল তাঁর। তিনি কর্মরত ছিলেন আলিপুরদুয়ারে। মৃত ওই অফিসারের নাম সৌরভ চক্রবর্তী। তিনি জলপাইগুড়ি শহরের পশ্চিম কংগ্রেসপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪৮ বছরের সৌরভ আলিপুরদুয়ার জেলায় পুলিশ ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। আলিপুরদুয়ারে কর্মরত থাকলেও, তাঁর স্ত্রী ও সন্তান শিলিগুড়ি থাকতেন। ছুটিতে জলপাইগুড়ি এসেছিলেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালেও ঘুম থেকে উঠে চা খেয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে আচমকাই তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস কয়েক আগে তাঁর একটি পথ দুর্ঘটনা হয়। এরপর তার মানসিক অবসাদ ছিল। তবে কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন, তা নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। এদিন জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃতদেহটির ময়নাতদন্ত করা হয়। পরে তার দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
প্রতিবেশী পল্টন কর্মকার বলেন, “আত্মহত্যা করেছেন। আমার ভাগ্না হয়। বুঝতে পারিনি কেন এমন করল।”