Malda School Teacher: এক-দু’দিন নয়, ১২ বছর স্কুলে না গিয়ে মাসে মাসে বেতন তুলেছেন, অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

School Teacher: স্থানীয় বাসিন্দা ত্রিদীপ রায় সহ কয়েকজন এই অভিযোগ দায়ের করেন গত ২৭ জুন। তাঁদের অভিযোগ, কাঁঠাল বানপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বশিক্ষক মৃগাঙ্ক মোহন রায় দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থেকেও বেতন নিয়েছেন। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পার্শ্বশিক্ষক মৃগাঙ্ক মোহন রায়। তাঁর দাবি, অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

Malda School Teacher: এক-দুদিন নয়, ১২ বছর স্কুলে না গিয়ে মাসে মাসে বেতন তুলেছেন, অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে
শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Aug 08, 2026 | 2:07 PM

মালদহ: এক যুগ স্কুলে যাননি! ১২ বছর ধরে স্কুলে না গিয়ে শুধু এলাকায় নেতাগিরি চলেছে, কিন্তু বেতন তুলে নিয়েছেন প্রতি মাসে মাসে। এমনই অভিযোগ উঠল শিক্ষক তথা তৃণমূল (TMC) নেতার বিরুদ্ধে। মালদহের হবিবপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বশিক্ষক মৃগাঙ্ক মোহন রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দিনের পর দিন স্কুলে না গিয়েও বেতন নিয়েছেন। উল্লেখ্য, ওই ব্যক্তির স্ত্রী পঞ্চায়েতের প্রধান।

ঠিক কী অভিযোগ?

মালদহের হবিবপুর ব্লকের জাজইল গ্রাম পঞ্চায়েতের আইহো চক্রের কাঁঠাল বানপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক পার্শ্বশিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ জমা পড়েছে শিক্ষা দফতরে। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও হবিবপুর বিজেপি নেতৃত্ব।

স্থানীয় বাসিন্দা ত্রিদীপ রায় সহ কয়েকজন এই অভিযোগ দায়ের করেন গত ২৭ জুন। তাঁদের অভিযোগ, কাঁঠাল বানপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বশিক্ষক মৃগাঙ্ক মোহন রায় দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থেকেও বেতন নিয়েছেন। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পার্শ্বশিক্ষক মৃগাঙ্ক মোহন রায়। তাঁর দাবি, অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

কী বলছেন অভিযুক্ত শিক্ষক মৃগাঙ্ক?

শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি কিছুদিন বিদ্যালয়ে যেতে পারেননি বলে জানান তিনি। তবে তাঁর দাবি, ১২ বছর স্কুলে না যাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি মনে করেন, তাঁর স্ত্রী যাতে প্রধান পদ ছেড়ে দেয়, সেই কারণেই এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তাঁকে ফোনে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে তাঁর স্ত্রীকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, এলাকার কয়েকজন বড় বিজেপি নেতা এই চাপ সৃষ্টি করছেন। তবে তদন্ত হলে তিনি সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরবেন বলেও জানান পার্শ্বশিক্ষক।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিশীথ কুমার পাল জানান, স্ত্রী প্রধান হওয়ার মৃগাঙ্ক রায় মাঝেমধ্যে স্কুলে যেতেন না। তবে টানা ১২ বছর যাননি, এই তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে, বিজেপির হবিবপুর মণ্ডল-৪-এর সভাপতি জহর মুর্মু অভিযোগ, ওই পার্শ্বশিক্ষক একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের হবিবপুর ব্লক যুব সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী বর্তমানে জাজইল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও বেতন নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us