
মালদহ: চড়া সুদে মাত্র ত্রিশ হাজার টাকা নিয়েছিল পুরসভার এক সাফাই কর্মী। তাঁর জন্যে তাঁকে অপহরণ করে মারধর করা হয় বলে খবর। পরে তাঁর স্ত্রীকেও অপহরণ করে আটকে রাখা, চলে নির্যাতন। হতাশায় অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা দলিতের। শুধু তাই নয়, পরে অচ্ছুৎ বলে দলিত বলে জাত তুলে গালাগাল, পুরসভার ঘরে রক্ত থুতু তাঁকে দিয়েই মোছানো হয়। থানায় অভিযোগ করা হলে সেই অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্যে হুমকি, দলিত দম্পতিকে নিজের ব্যক্তিগত তৃণমূল পার্টি অফিসে আটক করে রাখা বলে অভিযোগ।
ইংরেজবাজার পুরসভার কৃষ্ণ্রন্দু নারায়ণ চৌধুরী এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ এককথায় ডানহাত তৃণমূল নেতা অমরদ্বীপ সাহার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। অভিযোগ, ওই সাফাই কর্মী দলিত দম্পতির। ইতিমধ্যেই পলাতক তৃণমূল নেতা অমরদ্বীপ সাহা। ঘটনার তদন্তে শুরু করেছে পুলিশ। নির্দিষ্ট ধারায় পুলিশ মামলাও করেছে। দলিতের ওপর অত্যাচার নিয়ে সরব বিজেপি। পাশাপাশি কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী এবং অমরদ্বীপ সাহার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ বিধানসভার চিফ হুইপ অম্লান ভাদুড়ির।
নর্থ বেঙ্গল কনভেনার, সুশাসন বিভাগ, বিজেপি বলেন, “আমাদের কাছে প্রচুর অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে সাহস পেত না। এখন সরকার পরিবর্তন করেছে। আজ ভয় কেটেছে। মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।” দলিত মহিলা বলেন, “টাকা দিতে পারেনি। আমায় দু থাপ্পর মেরেছিল। আমরা বলেছি যে কয়েকদিন পর টাকা দেব। আমায় তুলে নিয়েও গিয়েছিল। আমায় বলত তোরা ছোটজাত, সুইপার। এই ভাবে অত্যাচার করত।”