Bhutni Flood-VIDEO: পেটে খিদে, নীল প্যাকেটে মোড়া চিড়ে-গুড়ের জন্য উত্তাল গঙ্গায় খুদে হাতেই দাঁড় টানল ওরা, কারও জুটল, কেউ ফিরল খালি হাতেই

Malda Flood Update: সরকারি সাহায্য এসেছে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকেও ত্রাণ পৌঁছেছে। খবর পৌঁছতেই প্রাণের মায়া ত্যাগ করে ডিঙি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন মানুষজন। মানিকচকের পর থেকে পুরো গ্রাম জলের তলায়। যত দূর দেখা যাচ্ছে শুধু জল। ওই গ্রামের মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগের কোনও মাধ্যম নেই।

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Sep 16, 2026 | 5:50 PM

মালদহ: জল শুধু জল…! বিছানা, বালিশ, কড়া, হাঁড়ি- সবই জলের সেই জলের তলায়। একদিন-দু দিন করে কয়েক সপ্তাহ কেটে গেল, এখনও জল সরেনি ভুতনিতে। শহর  থেকে দূরে, বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন সেই গ্রাম যে কতটা অসহায় সেই ছবি ধরা পড়ল বুধবার দুপুরে। একটা নীল প্যাকেটে মোড়া চিড়ে আর গুড়ের জন্য প্রাণ হাতে নিয়ে ক্ষুদে শিশুরা এদিন যেভাবে ডিঙা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল, সেই ছবি মন খারাপ করার মতো।

বন্যায় ডুবে আছে ভুতনি। ঘরে ঘরে গলা পর্যন্ত জল। বুধবার দুপুরে হঠাৎ খবর পৌঁছয়, ত্রাণ এসেছে। টিনের তৈরি ডিঙা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল ওরা। পরিবারের সদস্যদের জন্য খাবার আনতে গেল ছোট ছোট শিশুরা। দাঁড় বাইতেও হয়ত জানে না ওরা। ছোট ছোট হাতে কোনওরকমে ডিঙিটা টেনে নিয়ে যাওয়া, উল্টে যেতে পারে যে কোনও সময়। বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও পৌঁছে গিয়েছিলেন সন্তানের জন্য খাবার জোগাড় করতে।

সরকারি সাহায্য এসেছে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকেও ত্রাণ পৌঁছেছে। খবর পৌঁছতেই প্রাণের মায়া ত্যাগ করে ডিঙি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন মানুষজন। মানিকচকের পর থেকে পুরো গ্রাম জলের তলায়। যত দূর দেখা যাচ্ছে শুধু জল। ওই গ্রামের মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগের কোনও মাধ্যম নেই। প্রশাসনের তরফে সবরকমের চেষ্টা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীও উপস্থিত রয়েছে।

তবে টিনের ডিঙিতে এলেও খালি হাতেই এদিন ফিরে যেতে হল অনেককেই। ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক অম্লান ভাদুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “দুটি বুথে আজ ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। ৮০০ পরিবারের জন্য ১১০০ প্যাকেট রাখা হয়েছিল। গরিব মানুষ, একাধিক প্যাকেট নিয়ে নিয়েছে। কাল আবার ত্রাণ দেওয়ার ব্যবস্থা করব।” তিনি আরও জানান, বাড়ি বাড়ি পৌঁছনোর মতো পরিস্থিতি নেই। কোনও কোনও জায়গায় নৌকাও পৌঁছচ্ছে না। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার এর আগে ১২০০ কোটি টাকা দিলেও উন্নয়ন হয়নি। পূর্বতন সরকার লুটেপুটে খেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মালদহ: জল শুধু জল…! বিছানা, বালিশ, কড়া, হাঁড়ি- সবই জলের সেই জলের তলায়। একদিন-দু দিন করে কয়েক সপ্তাহ কেটে গেল, এখনও জল সরেনি ভুতনিতে। শহর  থেকে দূরে, বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন সেই গ্রাম যে কতটা অসহায় সেই ছবি ধরা পড়ল বুধবার দুপুরে। একটা নীল প্যাকেটে মোড়া চিড়ে আর গুড়ের জন্য প্রাণ হাতে নিয়ে ক্ষুদে শিশুরা এদিন যেভাবে ডিঙা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল, সেই ছবি মন খারাপ করার মতো।

বন্যায় ডুবে আছে ভুতনি। ঘরে ঘরে গলা পর্যন্ত জল। বুধবার দুপুরে হঠাৎ খবর পৌঁছয়, ত্রাণ এসেছে। টিনের তৈরি ডিঙা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল ওরা। পরিবারের সদস্যদের জন্য খাবার আনতে গেল ছোট ছোট শিশুরা। দাঁড় বাইতেও হয়ত জানে না ওরা। ছোট ছোট হাতে কোনওরকমে ডিঙিটা টেনে নিয়ে যাওয়া, উল্টে যেতে পারে যে কোনও সময়। বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও পৌঁছে গিয়েছিলেন সন্তানের জন্য খাবার জোগাড় করতে।

সরকারি সাহায্য এসেছে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকেও ত্রাণ পৌঁছেছে। খবর পৌঁছতেই প্রাণের মায়া ত্যাগ করে ডিঙি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন মানুষজন। মানিকচকের পর থেকে পুরো গ্রাম জলের তলায়। যত দূর দেখা যাচ্ছে শুধু জল। ওই গ্রামের মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগের কোনও মাধ্যম নেই। প্রশাসনের তরফে সবরকমের চেষ্টা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীও উপস্থিত রয়েছে।

তবে টিনের ডিঙিতে এলেও খালি হাতেই এদিন ফিরে যেতে হল অনেককেই। ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক অম্লান ভাদুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “দুটি বুথে আজ ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। ৮০০ পরিবারের জন্য ১১০০ প্যাকেট রাখা হয়েছিল। গরিব মানুষ, একাধিক প্যাকেট নিয়ে নিয়েছে। কাল আবার ত্রাণ দেওয়ার ব্যবস্থা করব।” তিনি আরও জানান, বাড়ি বাড়ি পৌঁছনোর মতো পরিস্থিতি নেই। কোনও কোনও জায়গায় নৌকাও পৌঁছচ্ছে না। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার এর আগে ১২০০ কোটি টাকা দিলেও উন্নয়ন হয়নি। পূর্বতন সরকার লুটেপুটে খেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us