Dead body Recover: ছোপ ছোপ রক্ত চারিদিকে, মাথার খুলির অর্ধেকটাই নেই! ভোরবেলা ঝোপ থেকে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার

Mysterious Death: গতকাল রাতে তিনি মেয়ের বাড়িতে খেতে যাননি। তারপর আজ সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় সাঁকরাইল থানার পুলিশ। কীভাবে মাথার খুলি উধাও হয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে মর্গে।

Dead body Recover: ছোপ ছোপ রক্ত চারিদিকে, মাথার খুলির অর্ধেকটাই নেই! ভোরবেলা ঝোপ থেকে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার
এখানেই পড়েছিল বৃদ্ধার মৃতদেহ।Image Credit source: TV9 বাংলা

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Aug 14, 2026 | 1:42 PM

হাওড়া: রাস্তার ধারে ঝোপ। সেখানে রক্তের ছিটে দেখেই চমকে গিয়েছিলেন পথচলতি মানুষ। একটু উকিঝুঁকি মারতেই যা চোখে এল, তাতে হাড়হিম হয়ে যাওয়ার জোগাড়। ঝোপের মধ্যে পড়ে রয়েছে এক বৃদ্ধার রক্তাক্ত দেহ। তাঁর মাথার খুলির একটা অংশ নেই!

আজ, শুক্রবার (১৪ অগস্ট) সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ হাওড়ার সাঁকরাইলে বটতলায় এক বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার হয়। ঝোপের মধ্যে বৃদ্ধার রক্তাক্ত দেহ পড়েছিল। ছিল না মাথার খুলির একাংশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম শান্তি মালিক (৬৫)। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে বৃদ্ধার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। দেখা যায়, দেহটির চারপাশে রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। মাথার খুলির বড় অংশ উধাও। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ওই বৃদ্ধার আত্মীয়-স্বজন।

জানা গিয়েছে, বাগানের মধ্যে একটি খাটাল আছে। খাটালে চারটি গরু ছিল। দীর্ঘদিন ওই বৃদ্ধা একাই গরুর দেখভাল করতেন। খাটাল থেকে ২০০ মিটার দূরে তার মেয়ে-জামাইরা থাকেন। প্রতিদিন শান্তি মালিক রাতের খাবারের জন্য তাঁর মেয়ের বাড়িতে যেতেন। এরপর খাওয়া শেষে তিনি খাটালে ফিরে এসে একাই ঘুমোতেন।

গতকাল রাতে তিনি মেয়ের বাড়িতে খেতে যাননি। তারপর আজ সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় সাঁকরাইল থানার পুলিশ। কীভাবে মাথার খুলি উধাও হয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে মর্গে।

তাঁর মেয়েরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন তিনি গরুদের দেখভাল করতেন। রাতে একাই খাটালে খাওয়া-দাওয়ার পর শুতে যেতেন। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা তারা বুঝে উঠতে পারছেন না। এর পিছনে দুষ্কৃতীদের হাত আছে কি না, তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে। গোটা ঘটনার তদন্ত করে দেখছে সাঁকরাইল থানার পুলিশ।

বৃদ্ধার জামাই কমল দাস বলেন, “বয়স্ক মানুষ, উনি একাই থাকতেন। হয়তো কাল রাতে স্ট্রোক হয়ে গিয়েছিল। পড়ে যান। তারপর শিয়াল-কুকুর হয়তো মাথার একটা অংশ খেয়ে নিয়েছে। দেখে তো তেমনই মনে হচ্ছে”। এক প্রতিবেশী সাথী চক্রবর্তীও বলেন, “ওঁকে সবাই ভালোবাসতো। ওঁর কোনও শত্রু নেই। জঙ্গলের মধ্যে থাকতেন, হয়তো কোনও প্রাণীই এই কাজ করেছেন।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us