
নদিয়া: সঙ্গমরত সারমেয়কে ধারাল অস্ত্রের কোপ। গ্রেফতার মাংস ব্যবসায়ী। সঙ্গমরত দুই সারমেয়ের মধ্যে একটি কুকুরের যৌনাঙ্গে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠল এক মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ছটফট করতে থাকে সারমেয়টি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় তাহেরপুর মাছ বাজার এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পথ চলতি দুই সারমেয় প্রজননরত অবস্থায় ছিল। সেই সময় তাহেরপুর মাছ বাজারের মাংস ব্যবসায়ী মানিক দাস নিজের মাংস কাটার ধারালো অস্ত্র দিয়ে একটি সারমেয়ের যৌনাঙ্গে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় রক্তাক্ত সারমেয়টিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে সেবা-শুশ্রূষা শুরু করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তাহেরপুর থানার পুলিশ। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত সারমেয়টিকে পশু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। চিকিৎসকদের দাবি, চিকিৎসায় সামান্য দেরি হলে প্রাণসংশয় হতে পারত সারমেয়টির।
এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত মানিক দাস ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। পরে গভীর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে তাহেরপুর থানার পুলিশ। তাঁর বাড়ি তাহেরপুর থানার বি-ব্লক এলাকায়।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তাঁকে রানাঘাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আহত সারমেয়টির চিকিৎসা বর্তমানে তাহেরপুর থানার পুলিশের তত্ত্বাবধানে চলছে। পশুপ্রেমী রণপ্রসাদ ভট্টাচার্য বলেন, “অবলা জীবদের ওপর অত্যাচার হলে সংবিধানে নির্দিষ্ট ধারা রয়েছে। এই ব্যক্তির কঠোরতম শাস্তি চাই। প্রজননের সময়ে আঘাত করেছে। বাস্তুতন্ত্রের বিরোধী কার্যকলাপ।”