
নদিয়া: পাঁচ বছরের বাচ্চা মেয়েকে নিয়ে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে এসেছিলেন বাবা। অসুস্থ মেয়েটা হাসপাতালেই বমি করে ফেলেছিল। সেই বমি বাবাকে দিয়েই পরিষ্কার করানো হয়। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছিল নদিয়ায়। ঘটনা শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালের। চিকিৎসকদের সাফাই, পর্যাপ্ত সাফাই কর্মী না থাকাতেই এই অবস্থা। এবার বমিকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের শিরোনামে সেই একই হাসপাতাল। উঠছে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ।
সূত্রের খবর, ডাক্তার দেখিয়ে হাসপাতাল থেকেই ওষুধ নেন পুরসভার এক কর্মী। সেই ওষুধের মেয়াদ পার হয়ে গিয়েছে। অভিযোগ রোগীর। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে স্বাস্থ্য মহলের অন্দরেও। ইতিমধ্যেই সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই রোগী। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওযার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে। তবে অভিযোগ মানতে নারাজ হাসাপাতালের ওষুধের দোকানের কর্মীদের। ওষুধটা আগেই কেনা হয়েছিল। এখন সেই ওষুধই রোগী দেখাতে আসছেন। অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা সাফাই দিয়েছেন দোকানের কর্মী।
এদিকে ওই রোগী বলছেন, “আমি আউটডোরে ডাক্তার দেখাই। সেখান থেকে টোকেন করে দেয়। সেই হিসাবে আমি ওষুধের কাউন্টার থেকে ওষুধ নিই। রাতে খেতে গিয়ে দেখি জানুয়ারির ২৫ তারিখ পর্যন্ত এর মেয়াদ রয়েছে। অর্থাৎ এটার ডেট পেরিয়ে গিয়েছে। এটা খেলে তো আমার ভালর থেকে ক্ষতি বেশি। হাসপাতালে আমরা সুস্থ হতে আসি। কিন্তু, উল্টে ক্ষতি হলে দায় কে নেবে?” পাল্টা ওষুধের দোকানের কর্মী বলছেন, “কেউ যদি ওষুধ না খেয়ে রেখে দেন তাহলে কী করা যেতে পারে?”