
নদিয়া: কিছুদিন আগেই জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে কাশ্মীরে প্রাণ গিয়েছিল বাংলার বীর জওয়ান ঝন্টু শেখের। এবার কর্মস্থলেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল বাংলার আর এক জওয়ানের। প্রায় ১২ বছর আগে সেনাবাহিনীতে বিএসএফ কমান্ডার হিসাবে কাজে যোগ দিয়েছিল শান্তিপুরের অমিত হালদার। বাড়ি শান্তিপুর থানার অন্তর্গত হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোভাগার কলোনিতে। তাঁর মৃত্যু ঘিরেই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। দেহ ফিরছে গ্রামের বাড়িতে। এদিন রাতেই দেহ পৌঁছানোর কথা।
কাজে যোগদানের পর অমিতের ট্রেনিং হয়েছিল কৃষ্ণনগরের সীমানাগড়ে। এরপর ছিলেন বনগাঁর ব্যারাকে। সেখান থেকে একসময় পোস্টিং ছিল কাশ্মীরেও। তারপর সেখান থেকে সোজা রাজস্থান। ১০ বছর আগে বিয়েও করেছিলেন। বাড়িতে এক কন্যা সন্তানও রয়েছে। কিন্তু, কর্মস্থলে যে তাঁর মৃত্যু হবে তা ভাবতে পারছেন না পরিবারের সদস্য়রা। মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া গোটা এলাকাতেও।
পরিবার সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত সপ্তাহের শুক্রবারই তাঁদের ফোন করে জানানো হয় ঘটনার কথা। বলা হয় তিনি বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। পারিবারিক অশান্তি না অন্য কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করল তা এখনও সুস্পষ্ট নয়। কেন মৃত্যু তা নিয়ে ধোঁয়াশায় পরিবারের সদস্যরাও। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন আত্মীয়-পরিজনরা। প্রতিবেশীদের দাবি, বারবরই এলাকায় খুব ভাল ছেলে হিসাবেই পরিচিত ছিল অমিত হালদার। কারও সঙ্গে কোনও ঝামেলা ছিল না। তাই আচমকা কেন সে আত্মহত্য়া করতে গেল বুঝতে পারছেন না তাঁরা। তদন্তের দাবি উঠেছে।