Nadia: রান্নাঘরে সরিয়ে, ম্যারিনেট করে রাখা ‘মিড ডে’ মিলের মাংস! স্যারের অ্যানিভার্সারিতে পড়ুয়াদের খাবার চুরির অভিযোগ, তুমুল উত্তেজনা

অভিভাবকদের অভিযোগ, মিড ডে মিল কর্মীরা প্রতিদিন মাংস থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলের বরাদ্দ করা খাবার চুরি করে বাড়ি নিয়ে যায়। অন্যদিকে মিড ডে মিল কর্মীরা অভিযোগ তোলেন, শিক্ষকরা ছাত্রদের খাবার চুরি করে। তাঁদের দাবি, মাঝেমধ্যেই এই ধরনের অনুষ্ঠান হয় স্কুলে।

Nadia: রান্নাঘরে সরিয়ে, ম্যারিনেট করে রাখা মিড ডে মিলের মাংস! স্যারের অ্যানিভার্সারিতে পড়ুয়াদের খাবার চুরির অভিযোগ, তুমুল উত্তেজনা
স্কুলে মাংস রান্না ঘিরে অভিযোগImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jul 03, 2026 | 11:49 AM

নদিয়া: ভরদুপুরে নদিয়ার শান্তিপুরের স্কুলে তুমুল উত্তেজনা। শিশুদের মিড ডে মিলের জন্য বরাদ্দ মাংস সরিয়ে রাখা হয়েছে রান্নাঘরে। ভাল করে ম্যারিনেট করে রান্নার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে এক গামলা মাংস। সেই মাংসের গামলা ঘিরেই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। নদিয়ার নতুনপাড়া জনকল্যাণ বুনিয়াদি শিক্ষালয়ের ঘটনা।

অভিযোগ ওঠে, স্কুলের মধ্যেই শিক্ষকদের বিবাহ বার্ষিকীর খাওয়া দাওয়ার জন্য সরিয়ে রাখা হয়েছে ওই মাংস। এই অভিযোগে সরব হন অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, বাচ্চাদের মাংস এবং খাবার চুরি করা হয়েছে। মিড ডে মিল কর্মী এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে বৃহস্পতিবার। চরম উত্তেজনা ছড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ঘটনাস্থলে ছোটে পুলিশ।

অভিভাবকদের অভিযোগ, মিড ডে মিল কর্মীরা প্রতিদিন মাংস থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলের বরাদ্দ করা খাবার চুরি করে বাড়ি নিয়ে যায়। অন্যদিকে মিড ডে মিল কর্মীরা অভিযোগ তোলেন, শিক্ষকরা ছাত্রদের খাবার চুরি করে। তাঁদের দাবি, মাঝেমধ্যেই শিক্ষকদের বিবাহ বার্ষিকী, জন্মদিন পালন করা হয় ছাত্রছাত্রীদের খাবার সরিয়েই।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমরা দেখতে পেতাম মিড ডে মিলের কর্মীরা খাবার চুরি করে নিয়ে যেত বাড়ি। এখন দেখছি স্কুলের মাস্টাররা মিড ডে মিলের খাবার স্পেশালভাবে রান্না করে খায়। ছাত্রছাত্রীরা সঠিক খাবার থেকে বঞ্চিত হয়।”

তবে স্কুলে এভাবে খাওয়া-দাওয়া করা বা খাবার চুরি করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁদের দাবি, শিক্ষকের বিবাহ বার্ষিকী আছে ঠিকই। তবে, মাংস আলাদাভাবে কিনে আনা হয়েছে। একইদিনে পড়ুয়াদের জন্য মাংস রান্নার বিষয়টি কাকতালীয়। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনামিকা সাহা বলেন, “প্রতিদিন মিড ডে মিলের কর্মীরাই বাচ্চাদের খাবার চুরি করে। আমরা কোনও খাবার বাড়ি নিয়ে যাই না।” বৃহস্পতিবার পুলিশ গিয়ে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনে।

Follow Us