
নদিয়া: সকাল হতে না হতেই শান্তিপুরের হরিপুর অঞ্চলে তুমুল বিক্ষোভ অভিভাবকদের। ছাত্র ছাত্রীদের মায়েদের দাবি, স্কুলের শিক্ষকের ব্যবহার ভালো না। তিনি বাচ্চাদের দিয়ে গা হাত পা টেপান, কেউ আবার বললেন স্কুলের স্যর পকেটে করে মলম নিয়ে আসেন। কেউ আবার বললেন, শুধুমাত্র ছাত্রীদের তিনি গা টেপান। তবে, স্কুলের শিক্ষকের সাফ দাবি তিনি বাচ্চাদের ভালোবাসেন।
কী ঘটেছে মূলত?
নদিয়ার শান্তিপুরের হরিপুর অঞ্চলের মেলার মাঠ। সেখানেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শরীর,হাত-পা টেপানোর অভিযোগ। আর সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরেই ওই শিক্ষক ছাত্রীদের দিয়ে গা, হাত-পা টেপাতেন। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। বর্তমানে বিদ্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ চলছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এক ছাত্রীর মা বলেন, “মনসা পুজোর জন্য গতকাল স্কুলে অনেকে আসেননি। শুধু আমার জা-এর মেয়ে এসেছিল। ও একাই ছিল। এবার অনেকটা সময় হয়ে যাওয়ার পর ওর মা স্কুলে যায়। গিয়ে দেখে স্কুলের কোনার একটি রুমে স্যর ওর মেয়েকে দিয়ে গা হাত পা টেপাচ্ছে। উনি খুবই খারাপ।” আরও এক পড়ুয়ার বাবা বলেন, “ওই মাস্টার স্কুলে পড়ুয়াদের দিয়ে গা হাত পা টেপান, তারপর খাওয়ার থালা বাটি মাজান।” আর এক মহিলা বলেন, “উনি পকেটে করে মলম আনেন। তারপর গা হাত পা টেপান।” ‘আমি এইসব করি না। এগুলো ভুল কথা। আমি বাচ্চাদের ভালবাসি। কালকে একটা বাচ্চা মেয়েকে অনেকক্ষণ স্কুলে রেখেছি বলে ওর মা আপত্তি জানিয়েছে। আমি কোনও মলম নিয়ে আসি না। মা কালীর দিব্যি’