
সন্দেশখালি: কবে সেই আয়লা হয়েছে, তার ফল এখনও ভোগ করছেন গ্রামবাসী। গ্রামে যাতায়াতের এক মাত্র পথ চলার অযোগ্য। এত দিন হয়ে যাওয়ার পরও রাস্তার উন্নতি হয়নি কেন? উঠছে সেই প্রশ্ন। রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে, রীতিমতো অসুস্থ রোগীকে চটের বস্তায় করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই ভিডিয়ো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।
উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের সেহেরা রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়ের ১৩২ নম্বর বুথের ঘটনা। সেহারা মাঝের পাড়ার ১৩২ নম্বর বুথের তিরিশটি পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা। আয়লার পর থেকে এই রাস্তাটির অবস্থা খারাপ। কোনও রকম ভাবে মেরামত হয়নি। রাস্তার পাশের পুকুরের গভীর গর্তে মাটি ভেঙে যাওয়ায় ফলে এই রাস্তা এখন চলাচলের এতটাই অযোগ্য হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষকেই অনেক কষ্ট করে যেতে হয়, আর একজন সুস্থ মানুষের পক্ষেও যাতায়াত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
এ দিকে, রাস্তা বেহাল থাকায় চলতে পারে না গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স। সেই কারণে অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে গেলে ভরসা এখন চটের বস্তা ও কাপড়ের দোলনা। এমনকি এই রাস্তাটির যা অবস্থা তাতে মৃতদেহও করতে অসুবিধায় পড়তে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণকে। সেই কারণে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। তারা নতুন রাস্তা এবং রাস্তা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। প্রশাসনের কাছে তাঁদের দাবি, যেন অতি দ্রুততার সঙ্গে একটি নতুন করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়।
সাধারণ মানুষের কষ্ট দূর করে দ্রুত এই রাস্তা তৈরি করার আশ্বাস দিলেন সন্দেশখালি বিধানসভার বিধায়ক সনৎ সর্দার। তিনি বলেন, “এই রাস্তা অনেক দিন ধরে বেহাল। কাজ শুরু হয়েছে। আমি সবটা শুনেছি খোঁজ নিয়েছি। খুব শীঘ্রই এই রাস্তার কাজ হবে।”