
উত্তর ২৪ পরগনা: বনগাঁয় এক ব্যক্তির দুই এপিক নম্বরে দুটি কার্ড। বাড়ি বাড়ি স্ক্রুটিনি করতে গিয়ে এমনও ভোটারের খোঁজ পেলেন ২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর।
একই ব্যাক্তির দুই নামে দুটি ভোটার। যার এপিক নম্বরও আলাদা। স্থানীয় কাউন্সিলর ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনি করতে গেলে বিষটি সামনে আসে। যাকে কেন্দ্র করে শোরগোল বনগাঁ পৌরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ড।
অভিযুক্ত ব্যক্তি জানিয়েছেন, তাঁর নাম বিপ্লব সেন। কিন্তু ২০১৪ সালে তাঁর ডাক নাম বাপ্পা সেন নামে ভোটার কার্ড তৈরি হয়। তৎকালীন সময়ে সেই ভোটার কার্ড জমা দিয়ে তিনি বিপ্লব সেন নামে ভোটার কার্ডের জন্য আবেদন করেন। বিপ্লবের দাবি, তখন বিপ্লব সেন নামে নতুন ভোটার কার্ড তৈরি হয়। যার এপিক নম্বর আলাদা। কিন্তু পুরনো কার্ড বাতিল হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন বাম কাউন্সিলরকে দায়ী করেছেন ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান তৃণমূল কাউন্সিলার নারায়ণ ঘোষ। তিনি এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
তৃণমূলের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিপিআইএম বনগাঁ শহর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সুমিত কর। তিনি জানিয়েছেন, তাঁরা প্রতিবছর এই ধরনের ভোট কাটার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে তালিকা জমা দেন কিন্তু নির্বাচন কমিশন কাটেনি। কারন এই ভোট গুলি তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক।
বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডলের দাবি, এই ভোট গুলি আগে বামেদের ভোট ব্যঙ্ক ছিল এখন তৃণমূলের সেই কারনে ভোট কাটা হয়নি। তৃণমূল দেখে দেখে মতুয়াদের ভোট কাটছেন কারণ মতুয়রা বিজেপির ভোটার । তাদের ভোট কাটছে তৃণমূল ।