
বনগাঁ: প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস খুনে নতুন করে কি তদন্ত শুরু হতে চলেছে? সেই ইঙ্গিত আগেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বরুণের সুবিচারের দাবিতে ‘জনতার দরবারে’ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন আগেই জানিয়েছিল নিহত শিক্ষকের পরিবার। তাঁদের অভিযোগ ছিল, পূর্বতন সরকার তদন্তের নামে আসলে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করেছে। এবার এই ঘটনায় প্রাক্তন খাদ্য ও বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় তদন্তের দাবি জানিয়ে বনগাঁ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করলেন শিক্ষকের সহযোদ্ধা নন্দদুলাল দাস।
নন্দদুলাল দাস জানিয়েছেন, বরুণের খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর মাথায় হাত ছিল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাই খুনের যথার্থ তদন্ত না করে সিপিএমের নামে দোষ চাপিয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পার পেয়ে গিয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে পুনরায় তদন্ত করার জন্য বনগাঁ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করলেন তুনি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যে বরুণকে খুন করেছে সে কথা বলতে দ্বিধা করছেন না তার পরিবার। কিন্তু নন্দদুলাল যে অভিযোগ করেছেন, সেটা তার নিজস্ব বিষয় বলে জানালেন বরুণের দিদি।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ৫ জুলাই উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে গুলি করে খুন করা হয়েছিল বরুণ বিশ্বাসকে। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক ছিলেন। এলাকার দুষ্কৃতীরা তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছিল বলে জানা যায়। বরুণের মৃত্যু রাজ্যজুড়ে আলোড়ন ফেলে। বরুণের পরিবারের দাবি, এই খুনের পিছনে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক রয়েছে। এই নিয়ে বিতর্ক কম নেই।