বসিরহাট: ছোট থেকেই ইচ্ছা ছিল বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করার। কিন্তু তা বলে একেবারে কেমব্রিজ থেকে ডাক আসবে ভাবতে পারেননি বসিরহাটের সাগ্নিক মণ্ডল। অনলাইনে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাতেই বাজিমাত বেঙ্গালুরু ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স-এর এই ছাত্রের। পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করতে চান সাগ্নিক। তবে বিদেশে গবেষণা করলেও ফিরতে চান ভারতেই। নিজের দেশেই অধ্যাপনা করতে চান তিনি। এই মুহূর্তে সন্দেশখালির কারণে বসিরহাট শিরোনামে। শুধুই ‘নেগেটিভ’ খবর। এরইমধ্যে সাগ্নিকের খবর নিঃসন্দেহে টাটকা হাওয়া।
সাগ্নিক জানান, এত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়ে খুবই ভাল লাগছে। ছোট থেকেই ইচ্ছা ছিল গবেষণা করার। আর কেমিস্ট্রি তাঁর প্রিয় বিষয়। কেমব্রিজের মত প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সুযোগ। মা বাবা এবং শিক্ষক শিক্ষিকাকেই তাঁর সাফল্যের অন্যতম দাবিদার বলছেন এই কৃতী। বসিরহাটের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের শেখপাড়ায় বাড়ি বছর তেইশের সাগ্নিকের। মূলত সেমিকনডাক্টর বা জটিল প্রযুক্তিকে সরল করে মানুষের কাজে লাগানোই সাগ্নিকের লক্ষ্য।
চলতি বছরের অক্টোবরে গবেষণার কাজ শুরু হবে। সেপ্টেম্বরেই স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানে যোগ দেবেন সাগ্নিক। সাগ্নিকের গবেষণার সম্পূর্ণ খরচ বহন করতে চায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। ছেলের ইচ্ছাপূরণ হতে চলেছে, দারুণ খুশি মা-ও। বলেন, “বাইরে গিয়ে ওর পিএইচডির ইচ্ছা ছিল বহুদিনের। ছেলের সেই ইচ্ছাপূরণ হতে চলেছে। আমি তো খুবই খুশি।” সাগ্নিকের প্রতিবেশি কার্তিক দে বলেন, কেমব্রিজের মত জায়গায় গবেষণার সুযোগ কতজনই বা পান। বসিরহাটবাসীর আছে তো বটেই সারা দেশের গর্ব।
বসিরহাট: ছোট থেকেই ইচ্ছা ছিল বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করার। কিন্তু তা বলে একেবারে কেমব্রিজ থেকে ডাক আসবে ভাবতে পারেননি বসিরহাটের সাগ্নিক মণ্ডল। অনলাইনে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাতেই বাজিমাত বেঙ্গালুরু ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স-এর এই ছাত্রের। পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করতে চান সাগ্নিক। তবে বিদেশে গবেষণা করলেও ফিরতে চান ভারতেই। নিজের দেশেই অধ্যাপনা করতে চান তিনি। এই মুহূর্তে সন্দেশখালির কারণে বসিরহাট শিরোনামে। শুধুই ‘নেগেটিভ’ খবর। এরইমধ্যে সাগ্নিকের খবর নিঃসন্দেহে টাটকা হাওয়া।
সাগ্নিক জানান, এত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়ে খুবই ভাল লাগছে। ছোট থেকেই ইচ্ছা ছিল গবেষণা করার। আর কেমিস্ট্রি তাঁর প্রিয় বিষয়। কেমব্রিজের মত প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সুযোগ। মা বাবা এবং শিক্ষক শিক্ষিকাকেই তাঁর সাফল্যের অন্যতম দাবিদার বলছেন এই কৃতী। বসিরহাটের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের শেখপাড়ায় বাড়ি বছর তেইশের সাগ্নিকের। মূলত সেমিকনডাক্টর বা জটিল প্রযুক্তিকে সরল করে মানুষের কাজে লাগানোই সাগ্নিকের লক্ষ্য।
চলতি বছরের অক্টোবরে গবেষণার কাজ শুরু হবে। সেপ্টেম্বরেই স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানে যোগ দেবেন সাগ্নিক। সাগ্নিকের গবেষণার সম্পূর্ণ খরচ বহন করতে চায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। ছেলের ইচ্ছাপূরণ হতে চলেছে, দারুণ খুশি মা-ও। বলেন, “বাইরে গিয়ে ওর পিএইচডির ইচ্ছা ছিল বহুদিনের। ছেলের সেই ইচ্ছাপূরণ হতে চলেছে। আমি তো খুবই খুশি।” সাগ্নিকের প্রতিবেশি কার্তিক দে বলেন, কেমব্রিজের মত জায়গায় গবেষণার সুযোগ কতজনই বা পান। বসিরহাটবাসীর আছে তো বটেই সারা দেশের গর্ব।