North 24 Parganas: টাকা ফেরত না পেয়ে বন্ধুকে গঙ্গায় ঠেলে ফেলার অভিযোগ, দেখে ফেলায় বান্ধবীকেও…

Allegedly pushing a youth and a woman into the Ganga: ঐন্দ্রিলার বাবার বক্তব্য, "মেয়ে সকালে বেরিয়েছিল। বলল, বান্ধবীর বাড়িতে যাচ্ছি। বিকেলে মেয়ের বান্ধবী ফোন করে বলল, নোয়াপাড়ায় থানায় যোগাযোগ করুন। ওই ছেলে দুটো আমার মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে মেরে দিয়েছে।"

North 24 Parganas: টাকা ফেরত না পেয়ে বন্ধুকে গঙ্গায় ঠেলে ফেলার অভিযোগ, দেখে ফেলায় বান্ধবীকেও...
কী বলছে নিখোঁজ যুবক-যুবতীর পরিবার?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jul 21, 2026 | 6:47 PM

নোয়াপাড়া: বন্ধুকে টাকা ধার দিয়েছিলেন। সেই টাকা ফেরত না পেয়ে বন্ধুকে গঙ্গায় ঠেলে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাটের জন্য প্রত্যক্ষদর্শী মদ্যপ বান্ধবীকে গঙ্গায় ঠেলে ফেলে দেয় অভিযুক্তরা। তারপর অভিযুক্তরা চম্পট দেয়। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার ইছাপুরের। অভিযুক্ত আশুতোষ এবং কুশল সাউ নামে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে নোয়াপাড়া থানার পুলিশ। গঙ্গায় তলিয়ে যাওয়া যুবক-যুবতীর কোনও খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি।

জানা গিয়েছে, তিন বন্ধু এবং এক বান্ধবী মিলে ইছাপুর নবাবগঞ্জ গঙ্গার ঘাটে আসে। তাদের মধ্যে বচসা হয়।এরপরই বছর আঠারোর অভিষেক মণ্ডলকে দুই বন্ধু ধাক্কা দিয়ে গঙ্গায় ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। তা দেখে ফেলে তাদের সঙ্গেই থাকা ঐন্দ্রিলা কর্মকার। প্রমাণ লোপাটের জন্য তাকেও গঙ্গায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ পরিবারের। রবিবার বিকেলে এই ঘটনাটি ঘটে। এখনও পর্যন্ত ডুবে যাওয়া যুবক ও যুবতীর দেহ পাওয়া যায়নি। তল্লাশিতে নেমেছেন বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা। তাঁরা গঙ্গার ঘাটগুলিতে তল্লাশি চালাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে রয়েছে নোয়াপাড়া থানার পুলিশ।

এই ঘটনায় ঐন্দ্রিলার পরিবার সরাসরি আঙুল তুলেছে অভিযুক্ত দুই যুবকের দিকে। তাদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা ঐন্দ্রিলাকে নেশা করিয়ে এখানে নিয়ে এসেছিল। নোয়াপাড়া থানার পুলিশ দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে। ধৃত আশুতোষের বাড়ি উত্তরপাড়া হিন্দ মোটরসে। অপর ধৃত কুশল সাউয়ের বাড়ি ভাটপাড়ায়।

সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিষেকের মা। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, “আমার ছেলেকে মেরে দেবে বলেছিল। আড়াই হাজার টাকা পাই বলেছিল। আমার ছেলেকে দিয়ে দু’নম্বরি কাজ করাত। ওর বাড়িতে গিয়ে বাবা-মাকে বলে এসেছিলাম, আপনাদের ছেলে যেন আমার ছেলের সঙ্গে না মেশে। ২-৩ দিন আগে  আমাকে বলেছিল, আমার ছেলেকে যেখানে পাবে, সেখানে হিসাব করে দেবে। সেই হিসাব করে দিয়েছে।”

ঐন্দ্রিলার মা বলেন, “সব ধামাচাপা পড়ে যাবে। নেশা করিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা মতো খুন করেছে।” ঐন্দ্রিলার বাবার বক্তব্য, “মেয়ে সকালে বেরিয়েছিল। বলল, বান্ধবীর বাড়িতে যাচ্ছি। বিকেলে মেয়ের বান্ধবী ফোন করে বলল, নোয়াপাড়ায় থানায় যোগাযোগ করুন। ওই ছেলে দুটো আমার মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে মেরে দিয়েছে। আমার মেয়েকে বিকেল থেকে ফোনে পাইনি। বন্ধ ছিল। রাত ২টা ১০ মিনিটে ফোনটা অন হয়। আমি ফোন করেছিলাম। দেখি অন্য কলে ব্যস্ত। পুলিশকে সব জানিয়েছি। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us