
উত্তর ২৪ পরগনা: চিকিৎসক স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুনের দায়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক স্বামী অরিন্দম বালাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। পাশাপাশি ১ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত সাজা শুনিয়েছেন বনগাঁ অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট সেশন ২ কোর্টের বিচারক।
সাজাপ্রাপ্ত চিকিৎসক
২০২১ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানা এলাকার হেলেঞ্চা মন্ডবঘাটার বাসিন্দা চিকিৎসক অরিন্দম বালার সঙ্গে বারাকপুরের নীলগঞ্জের বাসিন্দা চিকিৎসক রাজীব কুমার দে-র মেয়ে, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রত্নতমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য অশান্তি লেগে ছিল। অরিন্দম সে সময়ে পিজি হাসপাতালে এমডি করছিলেন। ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট অরিন্দম রত্নতমাকে কুপিয়ে খুন করেন। ঘটনার পরদিন, ২০ অগস্ট বাগদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে মৃতার পরিবার। পুলিশ অভিযুক্ত অরিন্দম বালাকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে বধূ নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয় অরিন্দমের বাবা বিবেকানন্দ বালা ও ভাই অনির্বাণ বালার বিরুদ্ধেও।
তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় জেল হেফাজতে থাকাকালীন মোট ১৯ জন সাক্ষীর বয়ান গ্রহণ করে আদালত। শুনানি শেষে বিচারক অরিন্দম বালাকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং সাজার ঘোষণা দেন। জামাই অরিন্দম বালাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়ায় খুশি মৃত রত্নতমার বাবা রাজীব কুমার দে। তিনি বলেন, “আমাদের মেয়ে অনেক আগেই চলে গিয়েছে। অরিন্দম আমাদের দূরের ছিল না কিন্তু ও ওর কর্মফল পেয়েছে। আমরা ওর মৃত্যুদণ্ড চায়নি।”