
উত্তর ২৪ পরগনা: চতুর্দিকে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধির বাড়ি, অফিস-কার্যালয় থেকে ত্রিপল-ত্রাণের সামগ্রী-সহ আরও কী কী উদ্ধার হচ্ছে! এরই মধ্যেই প্রাক্তন বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর ফোন গেল বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। নিজের কাছে থাকা ত্রাণের অতিরিক্ত ত্রিপল ও অন্যান্য সামগ্রী বর্তমান বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করে ফিরিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন তিনি।
সূত্রের খবর, চিরঞ্জিত শঙ্করকে ফোনে জানান, বিগত বছরের ত্রাণ বিলির পর কিছু অতিরিক্ত ত্রিপল ও সামগ্রী তাঁর কাছে রয়ে গিয়েছে। বর্ষা কম হওয়ায় সেগুলি আর প্রয়োজন হয়নি। তাই সততার খাতিরে তিনি প্রশাসনের সেই জিনিসগুলি ফিরিয়ে দিতে চান।
জবাবে বর্তমান বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় তাঁকে জানান, “যেখান থেকে আপনি এই সামগ্রী নিয়েছেন, প্রশাসনের সেই দফতরেই জমা দিয়ে দিন। আমি পরে সেগুলো সংগ্রহ করে আবার সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে বিলি করে দেব।”
এই বিষয়ে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বলেন, প্রতি বছরই ত্রাণ বিলির পর কিছু জিনিস উদ্বৃত্ত থেকে যায়। বর্তমান বিধায়ক যদি সেগুলি সংগ্রহ করতে চান তবে নিতে পারেন, অন্যথায় তিনি নিজেই জেলাশাসকের (DM) দফতরে গিয়ে সরকারি নিয়ম মেনে সমস্ত সামগ্রী জমা দিয়ে আসবেন।
বারাসতের প্রাক্তন এমএলএ চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর তরফ থেকে শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়কে বারাসতের বর্তমান এমএলএ-এর কাছে ফোন আসে। সেই ফোনেই এই কথা বলা হয়। তবে শঙ্কর জানিয়েছেন, “যেখান থেকে আপনি এই সামগ্রী নিয়েছেন প্রশাসনের সেই দফতরে জমা দিয়ে দিন, আমি সেগুলো তুলে আবার সাধারণ মানুষের মধ্যে দিয়ে দেব।”
যদিও চিরঞ্জিত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “আসলে তাঁর প্রতিবছরের অভিজ্ঞতা বর্ষা কম হওয়ায় প্রয়োজন পড়েনি এরকম কিছু ত্রিপল থেকে যায়। যদি উনি ওগুলো নিয়ে নেন তাহলে নিতে পারেন, না হলে আমাকে জেলা শাসকের দফতরে গিয়ে জমা দিয়ে দিতে হবে।”