Panihati Murder: মদের আসরে বন্ধুকে খুন, থানায় গিয়ে পুলিশকে নিজেই সব বললেন অভিযুক্ত

Friend allegedly killed with hammer: পুলিশকে ফোন করার জন্য নিজেই প্রতিবেশীদের অনুরোধ করেন অভিযুক্ত। কেউ তাঁকে ফোন না দেওয়ায় আশিস নিজেই খড়দহ থানায় চলে যান। পুলিশকে সব ঘটনা জানান। পুলিশ এসে বাড়ির দরজা খুলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। দেখা যায়, গোটা ঘর রক্তে ভেসে গিয়েছে।

Panihati Murder: মদের আসরে বন্ধুকে খুন, থানায় গিয়ে পুলিশকে নিজেই সব বললেন অভিযুক্ত
পানিহাটিতে মদের আসরে বন্ধুকে খুনের অভিযোগImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Sep 14, 2026 | 4:20 PM

পানিহাটি: মদের আসরে দুই বন্ধুর প্রায়ই বচসা হত। গতকালও বচসা হয়েছিল। অভিযোগ, সেই বচসার সময় একজন হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে খুন করেন অন্যজনকে। খুনের পর অভিযুক্ত থানায় চলে যান। বন্ধুকে খুনের কথা স্বীকার করে সব ঘটনা জানান। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম বাবু ঘোষ। অভিযুক্তের নাম আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বাপি। তাঁদের বাড়ি পানিহাটি পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে। বাবু ঘোষ রঙের কাজ করতেন। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও কাজ করেন না বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গতকাল রাতে আশিসের বাড়িতে দুই বন্ধু মদের আসর বসিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁদের বচসা হয়। ভোররাতে বচসা চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। অভিযোগ, বচসার সময় আশিস হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে খুন করেন বাবুকে।

সকালে পুলিশকে ফোন করার জন্য নিজেই প্রতিবেশীদের অনুরোধ করেন তিনি। কেউ তাঁকে ফোন না দেওয়ায় আশিস নিজেই খড়দহ থানায় চলে যান। পুলিশকে সব ঘটনা জানান। পুলিশ এসে বাড়ির দরজা খুলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। দেখা যায়, গোটা ঘর রক্তে ভেসে গিয়েছে। নগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে বাবুর মৃতদেহ। আশিসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা। এই খুনের পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে।

কী বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক প্রতিবেশী বলেন, “সকালবেলা আমার কাছে এসে বাপি বলেন, ফোনটা দাও। আমি বলি, আমার ফোন কাউকে দিই না। আমি ফোন দিতে চাইনি। তখন উনি বলেন, থানায় একটা ফোন করো। আমি বলি, কেন থানায় ফোন করব? তখন উনি বলেন, ‘কেন থানায় ফোন করবে? দেখবে এসো।’ আমি বলি, কী দেখব? তখন আমি সামনে আসি। উনি দরজা একটু খুলেছেন। দেখি, রক্ত। আমি দেখে পড়ে যাই। আমার স্বামী আমায় ধরে নিয়ে আসে।” তিনি জানান, “যিনি মারা গিয়েছেন, তিনি রঙের কাজ করতেন। আর যিনি মেরেছেন, তিনি কিছু করতেন না। তিনি ওই বাবুর পয়সায় খেতেন। তাঁদের মধ্যে সবসময়ই বচসা হত।”

বর্ণালী আচার্য নামে আর একজন মহিলা বলেন, “আমাদের অনেকের কাছে এসে ফোন চেয়েছিলেন। আমরা দিইনি। তখন তিনি নাকি নিজে থানায় চলে যান।” তিনি আরও জানান, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি। মাঝে মধ্যে এখানে আসতেন বাবু।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us