Police recovered guns: তৃণমূল নেতার আগাছায় ভরা জমি, সেখানেই ‘চাষ’ হত অস্ত্রের 

Arms Recovered From TMC Leader Land: স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "বছর ১৫ আগে জমিটি কিনেছিলেন সুজিত সাহা। ওঁরা মাঝে মধ্যে আসতেন। আমরা আশি করিনি, জমির মধ্যে অস্ত্র লুকিয়ে রাখবেন। আমরা আতঙ্কিত। এমনিতেই ওঁদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না।"

Police recovered guns: তৃণমূল নেতার আগাছায় ভরা জমি, সেখানেই চাষ হত অস্ত্রের 
তৃণমূল নেতার জমি থেকে অস্ত্র উদ্ধারImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

May 29, 2026 | 7:22 PM

মছলন্দপুর: রাজ্যে পালাবদল হতেই তৃণমূল নেতাদের একের পর এক ‘কীর্তি’ সামনে আসছে। উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় তৃণমূল নেতার পাটখেত থেকে বস্তা বস্তা টাকা উদ্ধার হয়েছে। এবার সেই উত্তর ২৪ পরগনাতেই এক তৃণমূল নেতার জমিতেই খোঁজ মিলল অস্ত্র ভান্ডারের। শুক্রবার মছলন্দপুরে ওই তৃণমূল নেতার জমিতে তল্লাশি চালিয়ে বন্দুক ও কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। কীসের জন্য ওই অস্ত্র জমিতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।      

উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ অজিত সাহা এবং তাঁর ভাই সুজিত সাহাকে কয়েকদিন আগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁরা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই অস্ত্র ভান্ডারের খোঁজ পায় পুলিশ। এদিন বিকেলে মছলন্দপুরের শক্তিনগর এলাকায় সুজিত সাহার ওই জমিতে তল্লাশি চালায় গোবরডাঙা থানার পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। অজিত এবং সুজিতকেও সঙ্গে নিয়ে এসেছিল।

সুজিতের জমিটি প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। আগাছায় ভরা। সেই জমিরই এক প্রান্তে দেখা যায়, গাছের শুকনো ডাল দিয়ে কোনও কিছু চাপা দেওয়া রয়েছে। ডাল সরাতেই দেখা যায়, পলিথিন দিয়ে কিছু চাপা রয়েছে। প্রথমে সাদা পলিথিন। তারপর কালো পলিথিন। সেগুলো সরাতেই একটি ব্যাগ দেখতে পাওয়া যায়। আর ব্যাগ খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। ব্যাগের মধ্যে অস্ত্র ভরা। তিনটি দোনালা বন্দুক-সহ বেশ কিছু কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। পাশে দাঁড়িয়ে থেকে তা দেখেন অজিত ও সুজিত। কেন অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অজিত ও সুজিতকে এদিন ভাবলেশহীনভাবে পুলিশের সঙ্গে দেখা যায়। 

কী বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “বছর ১৫ আগে জমিটি কিনেছিলেন সুজিত সাহা। ওঁরা মাঝে মধ্যে আসতেন। আমরা আশি করিনি, জমির মধ্যে অস্ত্র লুকিয়ে রাখবেন। আমরা আতঙ্কিত। এমনিতেই ওঁদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না।”

Follow Us