সন্দেশখালি: ভোটের আগে নতুন করে উত্তাপ চড়ছে সন্দেশখালিতে। জোর করে সাদা কাগজে সই করিয়ে তাতে ধর্ষণের বয়ান লিখে থানায় জমা করার অভিযোগ। সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী পিয়ালী দাস ওরফে মাম্পি আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন। আদালতে আত্মসমর্পণের পর তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পিয়ালি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের ছায়াসঙ্গী হিসাবে পরিচিত। পাশাপাশি তিনি সন্দেশখালি আন্দোলনের অন্যতম মুখ।
দিন কয়েক আগে সন্দেশখালি পাত্রপাড়ার বাসিন্দা এক মহিলা থানায় পিয়ালির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে তিনি লেখেন, পিয়ালী দাস তাঁকে দিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিলেন। পরে সেই সাদা কাগজে ধর্ষণের অভিযোগ লিখে পিয়ালি থানায় জমা দিয়েছেন।
ওই মহিলা থানায় পিয়ালির নামে অভিযোগ দায়ের করতেই পুলিশ তাঁর বাড়িতে হাজিরার নোটিশ দিয়ে আসে। কিন্তু তিনি থানায় দেখা করেননি। মঙ্গলবার দুপুরে পিয়ালি বসিরহাট মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। আদালত তাঁকে ২২ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিয়ো (TV9 বাংলা তার সত্যতা যাচাই করেনি) নতুন করে তেঁতে উঠেছে পরিস্থিতি। তৃণমূল বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের ভাইরাল হওয়া ভিডিয়ো ধরে অভিযোগ করছে, ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করানো হয়েছে। পাল্টা পথে নেমেছে বিজেপি। গত রবিবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশাখালি। বিজেপি থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে নিগৃহীত হয় তৃণমূল কর্মী। বিধায়ক সুকুমার মাহাতোকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ হয়। পাল্টা তৃণমূলও পথে নামে। এরই মধ্যে রেখা পাত্রের সঙ্গী গ্রেফতারের ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল।
সন্দেশখালিতে রাতে পুলিশি অভিযান ঠেকাতে বিজেপির ‘রাত্রি জাগো’ কর্মসূচি। রাত জেগে গ্রাম পাহারায় সন্দেশখালির মহিলারা। পুলিশি ধরপাকড়ের প্রতিবাদে গতকাল কাঠপোল বাজারে অবরোধ। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ ঝুপখালির মহিলাদের। বিক্ষোভ হঠাতে ৩ মহিলাকে আটক করে পুলিশ। পুলিশ পরে ৩ মহিলাকে ছেড়ে দিলেও ক্ষোভে ফুঁসছেন মহিলারা। সন্দেশখালির আন্দোলন নতুন খাতে বইতে শুরু করেছে, দাবি মহিলাদের।
বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের বক্তব্য, “তৃণমূল মিথ্যা মামলায় আমাদের কর্মীকে ফাঁসাচ্ছে। এর বিচার হবে।”
সন্দেশখালি: ভোটের আগে নতুন করে উত্তাপ চড়ছে সন্দেশখালিতে। জোর করে সাদা কাগজে সই করিয়ে তাতে ধর্ষণের বয়ান লিখে থানায় জমা করার অভিযোগ। সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী পিয়ালী দাস ওরফে মাম্পি আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন। আদালতে আত্মসমর্পণের পর তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পিয়ালি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের ছায়াসঙ্গী হিসাবে পরিচিত। পাশাপাশি তিনি সন্দেশখালি আন্দোলনের অন্যতম মুখ।
দিন কয়েক আগে সন্দেশখালি পাত্রপাড়ার বাসিন্দা এক মহিলা থানায় পিয়ালির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে তিনি লেখেন, পিয়ালী দাস তাঁকে দিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিলেন। পরে সেই সাদা কাগজে ধর্ষণের অভিযোগ লিখে পিয়ালি থানায় জমা দিয়েছেন।
ওই মহিলা থানায় পিয়ালির নামে অভিযোগ দায়ের করতেই পুলিশ তাঁর বাড়িতে হাজিরার নোটিশ দিয়ে আসে। কিন্তু তিনি থানায় দেখা করেননি। মঙ্গলবার দুপুরে পিয়ালি বসিরহাট মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। আদালত তাঁকে ২২ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিয়ো (TV9 বাংলা তার সত্যতা যাচাই করেনি) নতুন করে তেঁতে উঠেছে পরিস্থিতি। তৃণমূল বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের ভাইরাল হওয়া ভিডিয়ো ধরে অভিযোগ করছে, ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করানো হয়েছে। পাল্টা পথে নেমেছে বিজেপি। গত রবিবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশাখালি। বিজেপি থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে নিগৃহীত হয় তৃণমূল কর্মী। বিধায়ক সুকুমার মাহাতোকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ হয়। পাল্টা তৃণমূলও পথে নামে। এরই মধ্যে রেখা পাত্রের সঙ্গী গ্রেফতারের ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল।
সন্দেশখালিতে রাতে পুলিশি অভিযান ঠেকাতে বিজেপির ‘রাত্রি জাগো’ কর্মসূচি। রাত জেগে গ্রাম পাহারায় সন্দেশখালির মহিলারা। পুলিশি ধরপাকড়ের প্রতিবাদে গতকাল কাঠপোল বাজারে অবরোধ। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ ঝুপখালির মহিলাদের। বিক্ষোভ হঠাতে ৩ মহিলাকে আটক করে পুলিশ। পুলিশ পরে ৩ মহিলাকে ছেড়ে দিলেও ক্ষোভে ফুঁসছেন মহিলারা। সন্দেশখালির আন্দোলন নতুন খাতে বইতে শুরু করেছে, দাবি মহিলাদের।
বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের বক্তব্য, “তৃণমূল মিথ্যা মামলায় আমাদের কর্মীকে ফাঁসাচ্ছে। এর বিচার হবে।”