
দত্তপুকুর: নেশা-মুক্তি কেন্দ্রে গণধর্ষণের অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য দত্তপুকুর থানা এলাকায়। শুধু এক মহিলাকেই নয়, একাধিক রোগীর উপর মানসিক-শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ নেশা মুক্তি কেন্দ্রের মালিক ও তাঁর সহচরদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিনের পর দিন চলেছে অকথ্য নির্যাতন। সেই ছবি তুলে রেখে পরে চলেছে ব্ল্য়াক মেইল। এমনকী খুনেরও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেই ভয়েই এতদিন মুখ খুলতে পারেননি নির্যাতিতা।
এখন পুলিশের দ্বারস্থ হতেই তড়িঘড়ি অ্যাকশন। এদিনই মূল অভিযুক্ত ও তাঁর এক সহযোগীকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নির্যাতিতা তরুণীর আরও অভিযোগ, ওই নেশা মুক্তিকেন্দ্রে একাধিক নারী এবং পুরুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকেই খারাপ আচরণ করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, করছেন সেখানকার কর্মীরাই।
নির্যাতিতা বলছেন, “নেশা করতাম বলে আমার মা-বাবা আমাকে ভর্তি করেছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমি কোনও চিকিৎসা পাইনি। আমার উপরে মানসিক নির্যাতন, শারীরিক নির্যাতন হয়েছে। ২০২৫ সালের অগস্টের ৩০ তারিখে ভর্তি হয়েছিলাম। ওখানকার মালিকই এই কাজ করেছে। ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আমাকে ধর্ষণ করে। প্রথম দিন থেকেই এই চেষ্টা করে।” এরপরেই তাঁর সংযোজন, “আমার মা অনেক আগেই আইনি সাহায্য নেওয়ার কথা বলেছি। কিন্তু ওরা ছবি তুলে রেখে আমাকে ভয় দেখাতো। মেরে দেব, খুন করে দেব বলতো। সেই ভয়ে আমি এগোতে পারিনি। আরও অনেককেই মারধর করতো। আমার চোখের সামনে একজনকে মরে যেতে দেখেছি।”