
বাদুড়িয়া: সীমান্তে মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই সময়ই হামলা। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত সহ পুলিশের উপর দুই হামলাকারী। ঘটনায় গ্রেফতার মোট তিনজন। উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া থানার সরফরাজপুর গ্রামের ঘটনা।
রবিবার মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আবদুল কাইয়ুম নামে এক ব্যক্তিকে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ গ্রেফতার করতে যায়। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্তের অনুগামীরা পুলিশের কাজে বাধা দেয়। পুলিশকে ঘিরে ধরে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এরপর বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। আবদুলকে গ্রেফতার করে এবং পুলিশ। এর উপর হামলার চেষ্টা এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের নাম, মুন্না গাজি ও আব্দুস সামাদ। এদের পাশাপাশি পুলিশের উপর হামালা চালানোর ঘটনার অভিযোগে অভিযুক্তদের খুঁজছে পুলিশ।
বস্তুত, গত ১লা অগস্ট স্বরূপনগর সীমান্ত এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি নাবালিকাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকার মানুষ। তারপর স্বরূপনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় ওই নাবালিকাকে। ওই নাবালিকা স্বরূপনগর থানার পুলিশকে জানিয়েছিল, তাকে অচৈতন্য করে আনা হয়েছে। এবং তার যখন জ্ঞান ফেরে সে দেখে ভারতে। এরপর এই ঘটনার তদন্তে নেমে স্বরূপনগরের সীমান্ত এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে এই আবদুল কায়েমের নাম ঠিকানা জানতে পারি পুলিশ। সেই সূত্র ধরেই বাদুড়িয়া থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে যায়। তখনই এই ঘটনা ঘটে। ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে পেতে বসিহাট মহকুমা আদালতে তোলা হবে।