
উত্তর ২৪ পরগনা: যেদিন মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে দিয়েছিলেন, সেদিনই আঁচ করেছিলেন। এরপর পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের গ্রেফতারি… ভয় ধরায় আরও। তারপর থেকেই তিনি পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। গার্লফ্রেন্ডের ফোনটাই ধরিয়ে দিল সবটা! পানিহাটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে-র মেয়ের মোবাইল ফোন আর গার্লফ্রেন্ডের মোবাইল ফোন ট্রাক করে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ।
সোমনাথের খোঁজ পেতে খড়দহ থানার পুলিশ মেয়ে ও প্রেমিকার মোবাইল ফোন ট্রাক করে। ব্যারাকপুর ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট ওঁত পেতে থাকে। বুধবার রাতে সোমনাথের প্রেমিকার মোবাইল ফোন ট্রাক করে সোমনাথ দে-কে হোটেল থেকে গ্রেফতার করে ব্যারাকপুর গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর হাতেনাতে তাকে গ্রেফতার করে। তাঁকে বেঙ্গালুরু আদালতে পেশ করা হয়।
গ্রেফতার প্রাক্তন চেয়ারম্যান
দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক ছিলেন সোমনাথ। তদন্তকারীদের নজর এড়াতে বারবার মোবাইলের সিম বদলেছিলেন। এর আগে ওড়িশা,হায়দরাবাদ-সহ একাধিক জায়গায় তার খোঁজে তল্লাশি চালায় পুলিশ।অভিযোগ, আরজিকর হাসপাতাল থেকে দেহ পানিহাটি শ্মশানে নিয়ে গিয়ে তড়িঘড়ি দাহ করার পেছনে মূল ভূমিকা ছিল সোমনাথ দে-র। তিলোত্তমার পরিবারের অভিযোগ, দেহের ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে জোর করে সই করানো হয় এবং প্রভাব খাটিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়।
এর ঠিক আগেই এই মামলায় ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। রাতেই সোমনাথ দে-কে বিমানে করে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। কলকাতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে খড়দহ থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় পুলিশ। যদিও বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি ধৃত প্রাক্তন চেয়ারম্যান।