
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আইএসএফ ছাড়ছেন আরাবুল ইসলাম। সামাজিক মাধ্যমে আইএসএফের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দিয়ে পোস্ট করলেন আরাবুল। লিখলেন, “আইএসএফের স্বৈরাচার ও একনায়কতন্ত্রকে আমি ধিক্কার জানাই।” আরও একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আইএসএফের লুম্পেন বাহিনীর হাতে ভাঙড় জুড়ে যেভাবে অত্যাচার-অনাচার নেমে এসেছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আমি এই দল থেকে পদত্যাগ করলাম।”
বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফে। তবে ভাঙড় দু’নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে সভাপতি হিসেবে থেকে গেছিলেন আরাবুল ইসলাম। কিন্তু ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে বদলে যায় সমীকরণ। আইএসএফ ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে অনাস্থার তোড়জোড় শুরু করে।
গত পঞ্চায়েত ভোটে আরাবুল ইসলামের নেতৃত্বেই ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। আইএসএফ সেখানে পাঁচটি আসনে জিতেছিল, বাকি আসনগুলি ছিল তৃণমূলের দখলে। এবার সেই পঞ্চায়েত সমিতিতে আইএসএফ-এর ৫ সদস্যের সঙ্গে তৃণমূল ছেড়ে বেশ কয়েকজন সদস্য যোগদান করে অনাস্থার ডাক দেয়। কিন্তু জল গড়ায় আদালতে। গত ১৩ অগাস্ট ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।
আইএসএফের সঙ্গে আরাবুলের দূরত্ব বাড়তে শুরু করেছে, তা বোঝা গিয়েছিল সে সময় থেকেই। এবার সামাজিক মাধ্যমেই আইএসএফ-কে স্বৈরাচারী দল বলেছেন আরাবুল। এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আরাবুলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।