Canning News: ক্যানিংয়ে কাশ্মীরের জঙ্গি! ফিরহাদকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন সুকান্ত?

Canning News: তিনি বলেন, 'যে রাজ্যে একজন মন্ত্রী বলেন আর কিছু দিন অপেক্ষা করলেই ওরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যাবে। সেই রাজ্য থেকে তো জঙ্গিই ধরা পড়বেই।'

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Dec 22, 2024 | 4:37 PM

কলকাতা: ক্যানিংয়ে কাশ্মীরের জঙ্গি। আর তাতেই উত্তপ্ত বঙ্গের রাজনীতি। নাম না করেই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। এদিন ফিরহাদের ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ’ মন্তব্যকে হাতিয়ার করে তোপ দাগলেন তিনি।

সুকান্ত বলেন, ‘যে রাজ্যে একজন মন্ত্রী বলেন আর কিছু দিন অপেক্ষা করলেই ওরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যাবে। উর্দু ভাষা শিখতে হবে। সেই রাজ্য থেকে তো জঙ্গিই ধরা পড়বেই।’ শুধু তা-ই নয়, জঙ্গি হানার ঘটনায় কাঠগড়ায় টেনে আনেন পুলিশ প্রশাসনকেও। বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জঙ্গি ধরতে পারে না, শুধু ফন্দি আঁটতে পারে।’

উল্লেখ্য, রবিবার বেলা গড়তেই জাভেদ মুন্সী নামে এক সন্দেহভাজন কাশ্মীরি জঙ্গিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগেই ক্যানিং থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। পাক মদতপুষ্ট সংগঠন তেহরেক-উল-মুজাহিদিনের সদস্য তিনি। এদিন এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে পাকড়াও করে পুলিশ। আটক করা হয় সেই আত্মীয়কেও। তবে কোন উদ্দেশ্যে জাভেদের বঙ্গে আসা, সেই নিয়ে এখনও ধন্দে পুলিশ।

এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের দিকেই দায় ঠেলে দেয় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ভারতের ক্ষতি করতেই বাংলাদেশের জেল পালানো আসামীদের ছেড়ে দিয়েছে ইউনূস সরকার। পুলিশ-প্রশাসনকে যৌথ ভাবে এগোতে হবে।’


অন্য দিকে, মুখ খোলেন প্রাক্তন NSG কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তীও। তিনি বলেন,’যতক্ষণ রাজ্যে পুলিশ প্রশাসন ও বিশেষ করে সাধারণ মানুষ সচেতন না হবে ততক্ষণ এগুলো বাড়বে। ওদের সংগঠনটা একদম সাধারণ নয়, এদের সঙ্গে পাকিস্তানের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। বাংলা ছাড়াও কর্নাটক-মহারাষ্ট্রেও এদের জাল ফেলেছে। তবে পুলিশ প্রশাসন এখনও এদের বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যা এদের উপরন্তু মদত জোগাবে।’

কলকাতা: ক্যানিংয়ে কাশ্মীরের জঙ্গি। আর তাতেই উত্তপ্ত বঙ্গের রাজনীতি। নাম না করেই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। এদিন ফিরহাদের ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ’ মন্তব্যকে হাতিয়ার করে তোপ দাগলেন তিনি।

সুকান্ত বলেন, ‘যে রাজ্যে একজন মন্ত্রী বলেন আর কিছু দিন অপেক্ষা করলেই ওরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যাবে। উর্দু ভাষা শিখতে হবে। সেই রাজ্য থেকে তো জঙ্গিই ধরা পড়বেই।’ শুধু তা-ই নয়, জঙ্গি হানার ঘটনায় কাঠগড়ায় টেনে আনেন পুলিশ প্রশাসনকেও। বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জঙ্গি ধরতে পারে না, শুধু ফন্দি আঁটতে পারে।’

উল্লেখ্য, রবিবার বেলা গড়তেই জাভেদ মুন্সী নামে এক সন্দেহভাজন কাশ্মীরি জঙ্গিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগেই ক্যানিং থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। পাক মদতপুষ্ট সংগঠন তেহরেক-উল-মুজাহিদিনের সদস্য তিনি। এদিন এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে পাকড়াও করে পুলিশ। আটক করা হয় সেই আত্মীয়কেও। তবে কোন উদ্দেশ্যে জাভেদের বঙ্গে আসা, সেই নিয়ে এখনও ধন্দে পুলিশ।

এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের দিকেই দায় ঠেলে দেয় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ভারতের ক্ষতি করতেই বাংলাদেশের জেল পালানো আসামীদের ছেড়ে দিয়েছে ইউনূস সরকার। পুলিশ-প্রশাসনকে যৌথ ভাবে এগোতে হবে।’


অন্য দিকে, মুখ খোলেন প্রাক্তন NSG কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তীও। তিনি বলেন,’যতক্ষণ রাজ্যে পুলিশ প্রশাসন ও বিশেষ করে সাধারণ মানুষ সচেতন না হবে ততক্ষণ এগুলো বাড়বে। ওদের সংগঠনটা একদম সাধারণ নয়, এদের সঙ্গে পাকিস্তানের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। বাংলা ছাড়াও কর্নাটক-মহারাষ্ট্রেও এদের জাল ফেলেছে। তবে পুলিশ প্রশাসন এখনও এদের বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যা এদের উপরন্তু মদত জোগাবে।’

Follow Us