Murder Case: পালাবদলের পর পুরনো খুনের মামলায় একসঙ্গে ৩৬ জনের আত্মসমর্পণ

North Dinajpur: রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ার মধ্যেই এই আত্মসমর্পণকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একাংশের দাবি, পুলিশের সম্ভাব্য ধরপাকড় এড়াতেই পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে আদালতে হাজিরা দেন অভিযুক্তরা।

Murder Case: পালাবদলের পর পুরনো খুনের মামলায় একসঙ্গে ৩৬ জনের আত্মসমর্পণ
Image Credit source: TV9 Bangla

May 15, 2026 | 8:51 AM

বিশ্বরূপ বিশ্বাস, ইসলামপুর: খইরুল ইসলাম হত্যা মামলায় বৃহস্পতিবার ইসলামপুর মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন ৩৬ জন তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস নেতাকর্মী। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে চোপড়ায় যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, তাতেই মৃত্যু হয় খইরুল ইসলামের। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি অশোক রায় এবং সিপিএমের চোপড়া ২ নম্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক বিদ্যুৎ তরফদার।

জানা গিয়েছে, ওই ঘটনার পর অভিযুক্তদের একাংশ রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করে তৃণমূলে যোগ দেন। বর্তমানে দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা জিল্লুর রহমানের নামও মামলায় রয়েছে। তিনিও এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ার মধ্যেই এই আত্মসমর্পণকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একাংশের দাবি, পুলিশের সম্ভাব্য ধরপাকড় এড়াতেই পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে আদালতে হাজিরা দেন অভিযুক্তরা।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল এবং বাম-কংগ্রেস জোটের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। সেই সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তৃণমূলকর্মী খইরুল ইসলামের। ঘটনায় পুলিশ মোট ৫৭ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে।

বাম ও কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ, প্রাথমিক এফআইআরে ২৪ জনের নাম থাকলেও পরে চার্জশিটে ৫৭ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

Follow Us