
ভূমিকম্পে ভয়াবহ পরিস্থিতি তিব্বতে। ক্রমে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ভূমিকম্পের কারণে। অন্তত ৬২ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধাকাজে নেমেছে চিনের বায়ুসেনা।

চিনের সংবাদমাধ্যমে সামনে আসছে একের পর এক ছবি। কার্যত ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়েছে। হেলে গিয়েছে বহুতল। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থলে কম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৭.১। তবে চিন জানিয়েছেন, সেখানে ভূমিকম্পের তীব্রতা ৬.৮ রেকর্ড হয়েছে। উৎসস্থলের গভীরতা ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার। সেই কারণেই কম্পনের প্রভাব পড়েছে অনেক বেশি।

কাঠমান্ডু, ধাদিং, সিন্ধুপালচক, কাভরে, মাকওয়ানপুর এবং নেপালের আরও অনেক জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। নেপালে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উত্তর ভারতের অনেক শহরেও ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে ভারতে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

নেপালকে নিয়ে সবসময়েই ভূতত্ত্ববিদদের একটা আতঙ্ক থাকে। হিমালয়ের কোলে ওই অংশে বারবার কম্পন হয়। ২০১৫ সালে নেপালের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনও তাজা। ওই ভূমিকম্পে ৯০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।