
কাঠমাণ্ডু: নেপালে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। লেক ফাটা হিমবাহের জলস্রোতে বুধবার হড়পা বান আসে নেপালের ভোতেকোশী নদীতে। সেই হড়পা বানে ভেসে যায় গ্রামের পর গ্রাম। বিপর্যয়ে কমপক্ষে ৩৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। নিখোঁজ ২৮৮ জন ভারতীয় সহ ৬৪৪ জন। মাত্র ২১ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন বহু বাঙালি পর্যটকও। তার মধ্যেই একজন মুকুল রায়ের পুত্রবধূ।
নেপালে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। তিনি পারিবারিক ব্যবসা সামলান। একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে গত ২১ অগস্ট নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলেন বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের স্ত্রী। একাই কৈলাশ মানস সরোবর ও নেপাল ঘুরতে গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। শুভ্রাংশু রয়েছেন এখানেই।
জানা গিয়েছে, ২৫ অগস্ট রাতে শেষবার শুভ্রাংশুর সঙ্গে কথা হয়েছিল শর্মিষ্ঠার। তারপর থেকে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। গতকাল বিপর্যয়ের খবর মিলতেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে গোটা পরিবারের। চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে পরিবার। অপেক্ষা করছে শুভ্রাংশু-শর্মিষ্ঠার দুই সন্তানও।
শর্মিষ্ঠার সঙ্গে শেষবার যখন কথা হয়েছিল, তখন ভোতেকোশী নদী থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ছিলেন তারা। বিপর্যয়ের পর আর স্ত্রী শর্মিষ্ঠার সঙ্গে কথা হয়নি শুভ্রাংশুর। তিনি জানিয়েছেন, নেপালের দূতাবাস ও ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তবে এখনও কোনও খোঁজ মেলেনি।