
স্টুটগার্ট: বিশ্ব অর্থনীতির দুই শক্তিশালী দেশ। ভারত ও জার্মানি। এই দুই দেশের দৃঢ় বন্ধনের কারণ কী? নিউজ৯ গ্লোবাল সামিটে ভারত-জার্মানির সেই দৃঢ় বন্ধনের কথা তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। বললেন, “ভারত ও জার্মানিকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে এক সচল সেতু। আর এই সেতু স্টিল কিংবা পাথরের তৈরি নয়। এই সেতু তৈরি হয়েছে পারস্পরিক বিশ্বাস, আদর্শ ও মূল্যবোধের উপর।” ভারত ও জার্মানির সম্পর্ক ঐতিহ্যগত কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্যে শুধু আটকে নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার থেকে জার্মানির স্টুটগার্টে শুরু হয়েছে টিভি৯ নেটওয়ার্কের নিউজ৯ গ্লোবাল সামিট। প্রথম দিন সেখানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। গ্লোবাল সামিটে ‘ভারত ও জার্মানি: মজবুত বৃদ্ধিতে একসূত্রে বাঁধা’ এই বিষয়ে আলোচনায় ভারত ও জার্মানির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী। তিনি বলেন, “হাজার হাজার কিলোমিটার ব্যবধানের দুই দেশ। কিন্তু, আমরা পরস্পরের পরিপূরক শক্তি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই দুই দেশ অনন্য শক্তি।”
গত ১০ বছরে ভারতের পরিবর্তনের কথাও তুলে ধরেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। গত ছয় দশক আগে থেকে এক দশক আগে পর্যন্ত যেসব দিক ভারত ছুঁয়ে দেখতে পারেনি, এখন তা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “৩৫ বছর আগে ভারতীয় বাজারে যখন মার্সিডিজ বেঞ্জ আসে, তখন তারা তাদের কৌশলকে বলেছিল ‘কৌশলগত ধৈর্য’। আর এখন ভারতে সবচেয়ে বেশি লাক্সারি গাড়ি উৎপাদন করে মার্সিডিজ।”
বিশ্ব মঞ্চে ভারত ও জার্মানির প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, “একসঙ্গে দুই দেশ বিশ্বের উন্নতিতে নতুন অধ্যায় লিখতে পারে। কারণ, দুই দেশই বসুধৈব কুটুম্বকম আদর্শে এগিয়ে চলে।”
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই গ্লোবাল সামিট শেষ হবে ২৩ নভেম্বর। শুক্রবার সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধিতে ভারতের ভূমিকার কথা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সম্মেলনে ভারত-জার্মানি তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কীভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হবে।