
মুম্বই: ২০২৩ সালের মে মাসে বাজার থেকে ২ হাজার টাকার নোট তুলে নেওয়ার ঘোষণা করেছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। কোনও ব্যক্তি বা সংস্থার কাছে ২ হাজার টাকার নোট থাকলে তা ব্যাঙ্ক এবং পোস্ট অফিসের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা জানায় আরবিআই। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সেই ঘোষণার পর কেটে গিয়েছে এক বছর আট মাসের বেশি। এখনও কি বাজারে রয়েছে ২ হাজার টাকার নোট? যদি এখনও কারও কাছে ২ হাজার টাকার নোট থাকে, তাহলে তিনি কী করবেন, তা জানিয়ে দিল আরবিআই।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, বাজার থেকে ২ হাজার টাকার নোট তুলে নেওয়ার ঘোষণার পর এখনও পর্যন্ত ৯৮.১৫ শতাংশ নোট আরবিআইয়ের ঘরে জমা পড়েছে। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাজারে আর ৬ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা রয়েছে। অর্থাৎ এই পরিমাণ টাকা এখনও অনেক ব্যক্তি কিংবা সংস্থাগুলির কাছে রয়েছে। আরবিআই জানিয়েছে, সেই নোটগুলি এখনও বৈধ। যাঁদের কাছে রয়েছে, তাঁরা এখনও সেই নোট জমা দিয়ে সমপরিমাণ টাকা পেতে পারেন।
২০০০ টাকার নোট জমা কিংবা এক্সচেঞ্জ করা যাবে আরবিআইয়ের ১৯টি অফিসে। তার মধ্যে রয়েছে কলকাতাও। কলকাতাতে আরবিআইয়ের অফিসেও ২ হাজার টাকার নোট জমা কিংবা এক্সচেঞ্জ করা যাবে। এছাড়া যেকোনও পোস্ট অফিস থেকে ইন্ডিয়া পোস্টের মাধ্যমে আরবিআইয়ের নির্ধারিত অফিসে সেই নোট জমা করা যাবে।
২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর ৫০০ এবং এক হাজার টাকার নোট বাতিল করা হয়েছিল। সেই সময় নোটের ঘাটতি পূরণ করতে বাজারে আনা হয় ২ হাজার টাকার নোট। বর্তমানে অন্য নোটগুলির জোগান যথেষ্ট পরিমাণে থাকায় ২০১৮-১৯ সালে ২ হাজার টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপরই ২০২৩ সালের ১৯ মে বাজার থেকে ২ হাজার টাকার নোট তুলে নেওয়ার ঘোষণা করে আরবিআই। সেইসময় বাজারে ৩.৫৬ লক্ষ কোটি টাকার ২ হাজারের নোট ছিল।