কলকাতা: পরিপাটি রেস্তরাঁয় মায়ের হাতের রান্নার মতো স্বাদ। হোটেল-রেস্তরাঁর চিরাচরিত ভাবনার বদল আনতেই তৈরি হয়েছিল ‘ভূতের রাজা দিল বর’। সম্প্রতি টিভি৯ বাংলা আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডস অব বেঙ্গল’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনটাই জানালেন রেস্তরাঁ সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজীব কুমার পাল। সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ‘Excellence in Outstanding Bengal Culinary Heritage’ ক্যাটাগরিতে বিশেষ পুরস্কার দিয়েছে টিভি৯ বাংলা।
এদিন এই পুরস্কার গ্রহণের পর ভূতের রাজা দিল বর-এর ম্যানেজিং ডিরেক্ট রাজীব কুমার পাল বলেন, “পুরস্কার পেতে তো ভালোই লাগে। সারাবছর আমাদের চিন্তা করতে হয় কীভাবে আরও ভালো কাজ করব, রান্না আরও উন্নত করব — এই সবের পর যখন স্বীকৃতি পাই, তখন সত্যি ভালো লাগে।” চলতি বছরে ‘ভূতের রাজা দিল বর’ নিয়ে যে আরও পরিকল্পনা রয়েছে সেই কথাও টিভি৯ বাংলার সামনে তুলে ধরেন সংস্থার কর্তা।
তাঁর কথায়, “আমেরিকায় তো আমাদের রেস্তরাঁ রয়েছে, এবার উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও কিছু রেস্তরাঁ খোলার ইচ্ছা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৪৭টি আউটলেট রয়েছে। এই বছর ইচ্ছা রয়েছে ৫০টি করব।” বাংলার বুকে রেস্তরাঁ বাণিজ্যের নিরিখে সর্বে সর্বা এই ‘ভূতের রাজা দিল বর’। বছরের বেশির ভাগ সময়েই রাজ্য়জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তাঁদের আউটলেটগুলিতে দেখা যায় লম্বা লাইন। কিন্তু এই রেস্তরাঁ সংস্থার পথচলা শুরু কীভাবে?
সংস্থার কর্তা রাজীব কুমার পাল বলেন, “আমরা তো ওপার থেকে এসেছিলাম। যৌথ পরিবার, অনেক ধরনের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন হত প্রতিদিন। ইচ্ছা ছিল মানুষকেও তা খাওয়ানোর। সেই সূত্র ধরেই ভূতের রাজা দিল বরের ভাবনা। সিনেমায় যেমন তালি দিলে থালি আসত, আমাদেরও কিন্তু একই রকমের ব্যবস্থা। তালি দেবেন, থালি আসবে।”
কলকাতা: পরিপাটি রেস্তরাঁয় মায়ের হাতের রান্নার মতো স্বাদ। হোটেল-রেস্তরাঁর চিরাচরিত ভাবনার বদল আনতেই তৈরি হয়েছিল ‘ভূতের রাজা দিল বর’। সম্প্রতি টিভি৯ বাংলা আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডস অব বেঙ্গল’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনটাই জানালেন রেস্তরাঁ সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজীব কুমার পাল। সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ‘Excellence in Outstanding Bengal Culinary Heritage’ ক্যাটাগরিতে বিশেষ পুরস্কার দিয়েছে টিভি৯ বাংলা।
এদিন এই পুরস্কার গ্রহণের পর ভূতের রাজা দিল বর-এর ম্যানেজিং ডিরেক্ট রাজীব কুমার পাল বলেন, “পুরস্কার পেতে তো ভালোই লাগে। সারাবছর আমাদের চিন্তা করতে হয় কীভাবে আরও ভালো কাজ করব, রান্না আরও উন্নত করব — এই সবের পর যখন স্বীকৃতি পাই, তখন সত্যি ভালো লাগে।” চলতি বছরে ‘ভূতের রাজা দিল বর’ নিয়ে যে আরও পরিকল্পনা রয়েছে সেই কথাও টিভি৯ বাংলার সামনে তুলে ধরেন সংস্থার কর্তা।
তাঁর কথায়, “আমেরিকায় তো আমাদের রেস্তরাঁ রয়েছে, এবার উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও কিছু রেস্তরাঁ খোলার ইচ্ছা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৪৭টি আউটলেট রয়েছে। এই বছর ইচ্ছা রয়েছে ৫০টি করব।” বাংলার বুকে রেস্তরাঁ বাণিজ্যের নিরিখে সর্বে সর্বা এই ‘ভূতের রাজা দিল বর’। বছরের বেশির ভাগ সময়েই রাজ্য়জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তাঁদের আউটলেটগুলিতে দেখা যায় লম্বা লাইন। কিন্তু এই রেস্তরাঁ সংস্থার পথচলা শুরু কীভাবে?
সংস্থার কর্তা রাজীব কুমার পাল বলেন, “আমরা তো ওপার থেকে এসেছিলাম। যৌথ পরিবার, অনেক ধরনের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন হত প্রতিদিন। ইচ্ছা ছিল মানুষকেও তা খাওয়ানোর। সেই সূত্র ধরেই ভূতের রাজা দিল বরের ভাবনা। সিনেমায় যেমন তালি দিলে থালি আসত, আমাদেরও কিন্তু একই রকমের ব্যবস্থা। তালি দেবেন, থালি আসবে।”