
নয়া দিল্লি: রান্না করতে করতে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে গিয়েছে, সারাদিন তখন রান্না বন্ধ। বিশেষ করে যাদের একটিই সিলিন্ডার থাকে, তাদের তো আরও সমস্যা। গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে হবে। তারপর অন্তত তিন-চারদিনের অপেক্ষা। এতদিন কি রান্না না করে, না খেয়েই থাকতে হবে? গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Cylinder) নিয়ে এইসব চিন্তা দূর হয়ে গেল এবার। এখন থেকে গ্যাস বুক করার চার ঘণ্টার মধ্যেই পেয়ে যাবেন।
এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার গ্রাহকদের জন্য সুখবর। এতদিন গ্যাস সিলিন্ডার বুক করলে, তা দুই-তিন দিনের মধ্যে ডেলিভারি হত। কখনও কখনও আবার এক সপ্তাহও লেগে যেত। কিন্তু এখন থেকে আর এত দিন অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে বাড়িতে পৌঁছে যাবে সিলিন্ডার। এই পরিষেবা চালু করেছে ইন্ডেন (Indane)। তারা ‘এক্সট্রা লাইট নাও’ (Extra Light Now) নামে এক্সপ্রেস ডেলিভারি পরিষেবা শুরু করেছে।
আপাতত পাইলট প্রকল্প হিসাবে এই ডেলিভারি পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। নির্ধারিত কিছু শহরে আপাতত এক্সপ্রেস ডেলিভারি পরিষেবা পাওয়া যাবে। প্রথম পর্যায়ে এই পরিষেবাটি কোয়েম্বাটুর, পুণে, গুরুগ্রাম এবং ইন্দোরের মতো শহরগুলিতে চালু করা হবে। অগস্টের মধ্যে দেশের ২৫টি শহরে এবং অক্টোবরের মধ্যে দেশের সমস্ত শহর ও শহরতলিতে এক্সপ্রেস ডেলিভারি পরিষেবা চালু হবে।
গ্যাস রিফিল করা এবং নতুন সংযোগ পাওয়াও খুব সহজ হয়ে গিয়েছে এখন। ইন্ডিয়ান অয়েল ওয়ান অ্যাপ বা কাস্টমার পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে বুক করতে পারবেন। এছাড়াও 7588888824 এই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরের মাধ্যমে ৪ ঘণ্টার এক্সপ্রেস ডেলিভারি সুবিধা পেতে পারেন।
ইন্ডেন জানিয়েছে, বর্তমানে লোহার যে সিলিন্ডারগুলি আছে, তা পরিবর্তন করে ৫ কেজি ও ১০ কেজির কম্পোজিট সিলিন্ডার আনা হবে। এই কম্পোজিট সিলিন্ডারের সবথেকে বড় সুবিধা হল, এর ওজন অনেক কম। ফলে এগুলি যে কোনও জায়গায় বহন করা সহজ। লোহার সিলিন্ডারের মতো এতে মরচে-ও পড়ে না।
কম্পোজিট সিলিন্ডারর একটা অংশ স্বচ্ছ থাকবে, তার ফলে সিলিন্ডারের ভিতরে কতটা গ্যাস আছে, তাও দেখা যাবে। এতে গ্যাসের অপচয় কম হবে। কম গ্যাস থাকলেও, তা সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলতে পারবেন গ্রাহকরা।