
নয়াদিল্লি: আশা ছিল, এদিন তা পূরণও হল। গত বছর থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। রোবট দুনিয়ার প্রকোপে যেন চাকরির বাজারে দেশের যুবপ্রজন্ম পিছিয়ে না পড়ে সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই ইন্ডিয়া এআই মিশন প্রকল্পের ঘোষণা আগেই করেছে মোদী সরকার।
চলতি বাজেটেও সম্ভবনা ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বিশেষ নজর দেবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। অনুমান মতো হল কাজ। নতুন বছরের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে জায়গা পেল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, ‘এর আগে স্বাস্থ্য, কৃষি ও শহরাঞ্চলের উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রয়োগের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। চলতি বছর থেকে শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গেও জুড়ে দেওয়া হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে। আর এই লক্ষ্যপূরণের আওতায় মোট ৫০০ কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে চলতি বাজেটে।’
মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শিক্ষাক্ষেত্রের একটি অঙ্গ করে তুলতেই এই পদক্ষেপ দাবি কেন্দ্রের। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যে মানবজীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে কোনও রকম ভাবে দ্বিমত পোষণ করছে না কেন্দ্র। বরং চাকরির বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কেন্দ্র করে তৈরি আশঙ্কাকেই একেবারে গোড়া থেকে শেষ করতে এই পদক্ষেপ নিলেন অর্থমন্ত্রী, মত একাংশের।
উল্লেখ্য, বাজেট পেশের দু’দিন আগেই দেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ নিয়ে বিরাট ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। দেশে তৈরি হওয়া এআই সংকটকে কাটাতে দেশীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন একটি অ্যাপ তৈরির কথা জানান তিনি। মূলত চিনা AI অ্য়াপ ডিপসিক ভারতের ‘ডিজিটাল জনতা’কে সরিয়ে আনতেই এমন ঘোষণা করেন তিনি।
তাঁর কথায়, ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিষয়টি মাথায় রেখেই ইতিমধ্যে সেই AI প্ল্য়াটফর্ম তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারত ও ভারতবাসীর কথা মাথায় রেখেই এই অ্যাপ তৈরি করা হচ্ছে।’