
বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার আবহে ধুঁকতে থাকা ব্যবসাগুলিকে বাঁচাতে এগিয়ে এল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা 'এমার্জেন্সি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিম' বা ECLGS 5.0 অনুমোদন করেছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলিকে অক্সিজেন দেবে। (Pic - Getty Images)

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাবে তৈরী হওয়া আর্থিক চাপ সামলাতে অশ্বিনী বৈষ্ণব এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। ১৮,১০০ কোটি টাকার এই স্কিমের লক্ষ্য হল বাজারজুড়ে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকারও বেশি ঋণ নিশ্চিত করা। (Pic - Getty Images)

আর্থিক সঙ্কটে জর্জরিত বিমান সংস্থাগুলির জন্য এই স্কিমে ৫০০০ কোটি টাকা আলাদা করে রাখা হয়েছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক সমস্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিমান সংস্থাগুলিকে এই অর্থ পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে বলে আশা করা যায়। (Pic - Getty Images)

এই প্রকল্পের অধীনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ১০০ % ও অন্যান্য বড় সংস্থা ও বিমান সংস্থার ঋণে ৯০% শতাংশ গ্যারান্টি দিচ্ছে সরকার। ন্যাশনাল ক্রেডিট গ্যারান্টি ট্রাস্ট লিমিটেডের মাধ্যমে ঋণদাতাদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে। (Pic - Getty Images)

২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত যাদের লোন অ্যাকাউন্ট নিয়মিত ব্যবহার হয়, সেই সমস্ত MSME ও বিমান সংস্থা এই সুবিধে পাবে। তারা তাদের গত তিন মাসের ব্যবহৃত কার্যকরী মূলধনের ২০% পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। (Pic - Getty Images)

সাধারণ ব্যবসার ক্ষেত্রে ঋণের উর্দ্ধসীমা ১০০ কোটি টাকা ও বিমান সংস্থার জন্য ১৫০০ কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে। কোনও গ্যারান্টি ফি ছাড়াই এই ঋণ মিলবে, যা উদ্যোক্তাদের ওপর থেকে বাড়তি আর্থিক বোঝা কমাবে। (Pic - Getty Images)

ব্যবসায়ীরা পাঁচ বছরের মেয়াদে ঋণ পাবেন ও প্রথম এক বছর কোনও কিস্তি দিতে হবে না। বিমান সংস্থাগুলির জন্য সময়সীমা ৭ বছর ও প্রথম ২ বছর ঋণ পরিশোধ করায় বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে। (Pic - Getty Images)

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়োচিত পদক্ষেপ সাপ্লাই চেন সচল রাখবে ও লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান রক্ষা করবে। সঠিক সময়ে কার্যকরী মূলধনের যোগান ছোট ও মাঝারি ব্যবসাগুলোর টিকে থাকার লড়াইয়ে সাহস যোগাবে। (Pic - Getty Images)