
নয়া দিল্লি: ভারতীয় রেল মূলত যাত্রীদের টিকিট এবং মালবাহী ট্রেন থেকে অর্থ উপার্জন করে। রেল সূত্রে জানা যায়, আয়ের প্রধান উৎসই হল মালবাহী গাড়ি আর যাত্রীবাহী ট্রেনের ক্ষেত্রে এসি থার্ড এবং এসি চেয়ার কার থেকে অধিক আয় করে রেল। তবে উপার্জনের আরও কিছু পথ রয়েছে। যেমন সম্প্রতি উত্তর রেলওয়ে স্ক্র্যাপ বিক্রি করে কয়েক কোটি টাকা আয় করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। স্ক্র্যাপ বা বর্জ্য সামগ্রী থেকে এত বেশি আয় করেছে রেল যে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে প্রায় পাঁচটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন কেনা যায়।
উত্তর রেলের এক কর্তা শোভন চৌধুরী জানিয়েছেন যে জানে স্ক্র্যাপ বিক্রিতে একটি নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে, স্ক্র্যাপ থেকে আয় হয়েথে ৫১৪.০৬ কোটি টাকা। বার্ষিক বিক্রির ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা ছিল মাত্র ৫০০ কোটি টাকা। এইভাবে, উত্তর রেলওয়ে স্ক্র্যাপ বিক্রি থেকে উপার্জনের ক্ষেত্রে প্রথম অবস্থানে রয়েছে৷
রেলওয়ের মতে, আয়ের পাশাপাশি স্ক্র্যাপ বিক্রি করা হলে স্টেশন চত্বরও পরিষ্কার থাকে। রেলওয়ে ট্র্যাকের টুকরো, স্লিপার এবং টাই বার সংগ্রহ করে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া স্টাফ কোয়ার্টার, কেবিন, জলের ট্যাঙ্কের আবর্জনাও রয়েছে এৎ মধ্যে। মূল্যবান জমিও খালি করা হচ্ছে এই বর্জ্য বিক্রি করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্ক্র্যাপ বিক্রি উত্তর রেল বিপুল আয় করেছে,যা দিয়ে প্রায় পাঁচটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন তৈরি করা যেতে পারে। একটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের দাম প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা।