
নয়া দিল্লি: শেষমুহূর্তে কোথাও যাওয়ার প্ল্যান হয়েছে? এদিকে ট্রেনের টিকিট নেই। সেক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে তৎকালে টিকিট কাটতে হয়। আবার অনেক সময় সেই টিকিটও পাওয়া যায় না। তবে, এছাড়াও আরও একটি উপায় রয়েছে। যা অনেকেই জানেন না। অনেকেরই ধারণা, ট্রেনের রিজার্ভেশন চার্ট তৈরি হয়ে গেলে আর টিকিট বুক করা যায় না। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। ভারতীয় রেলের কারেন্ট বুকিং পরিষেবার মাধ্যমে খালি থাকা আসন অনলাইনে বুক করা যায়। শুধু তাই নয় ট্রেন ছাড়ার ৫ মিনিট আগে পর্যন্ত কনফার্ম টিকিট পেতে পারেন যাত্রীরা।
IRCTC-র চার্ট ভ্যাকান্ট ফিচারে ট্রেন ও কোচের খালি আসনের তথ্য দেখে মুহূর্তেই কনফার্ম টিকিট কাটা সম্ভব। IRCTC-র ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের চার্ট ভ্যাকান্ট অপশনে গিয়ে ট্রেন নম্বর ও যাত্রার তারিখ দিলেই কোন কোচে কোন আসন খালি রয়েছে, তা দেখা যায়। সেখান থেকেই অনলাইনে বুক করা যায় টিকিট। স্টেশনে যাওয়ারও প্রয়োজন পড়ে না।
সাধারণত ট্রেন ছাড়ার প্রায় ৪ ঘণ্টা আগে প্রথম রিজার্ভেশন চার্ট প্রস্তুত হয়। চার্ট প্রকাশের পর থেকে ট্রেন ছাড়ার প্রায় ৫ মিনিট আগে পর্যন্ত কারেন্ট বুকিং-এর মাধ্যমে খালি আসন বুক করা যায়। তবে কিছু ট্রেন ও রুটের ক্ষেত্রে চার্ট তৈরির সময়ে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
কারেন্ট বুকিংয়ের অন্যতম বড় সুবিধা হল, এখানে শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটই দেওয়া হয়। ওয়েটিং লিস্ট বা RAC-এর কোনও ঝামেলা থাকে না। সাধারণত সপ্তাহের মাঝামাঝি খালি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে সপ্তাহান্ত, ছুটির দিন বা উৎসবের মরশুমে আসন পাওয়া তুলনামূলক কঠিন হতে পারে।
IRCTC অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে ট্রেন ক্যাটাগরিতে যান। সেখানে চার্টস ভ্যাকান্ট অপশন বেছে নিন। এরপর ট্রেন নম্বর ও যাত্রার তারিখ লিখে সার্চ করলেই রিয়েল-টাইমে কোন কোচে কোন আসন খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। পছন্দের আসন থাকলে সঙ্গে সঙ্গেই অনলাইনে বুকিং করা যাবে।
তৎকাল বুকিংয়ে নির্দিষ্ট সময়ে টিকিট কাটার জন্য প্রতিযোগিতা থাকে। কিন্তু কারেন্ট বুকিংয়ে সেই চাপ নেই। শেষ মুহূর্তে ভ্রমণের পরিকল্পনা হলেও, চার্ট প্রকাশের পর যদি কোনও আসন খালি থাকে, তাহলে সরাসরি কনফার্ম টিকিট বুক করা সম্ভব। এমনকি কোনও যাত্রী মাঝপথে নেমে গেলে সেই আসনও ওই ফিচারে দেখানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে পরবর্তী স্টেশন থেকে ওঠা যাত্রীরা বুক করতে পারবেন।