Reliance : শুধু ফোন বা তেল নয়, এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারও কাঁপাবে রিলায়েন্স! বড় ঘোষণা করলেন আম্বানি!

Mukesh Ambani: যেহেতু এই মুহূর্তে শেয়ার বাজারে মন্দা চলছে, তাই আদৌ এই শেয়ার কবে আসবে, তার কোনও তারিখ জানানো হয়নি। এই বহুমুখী পদক্ষেপের দলে আগামী দিনে রিলায়েন্স এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাবে ও ভারতের অর্থনীতিতেও এক বিশাল পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Reliance : শুধু ফোন বা তেল নয়, এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারও কাঁপাবে রিলায়েন্স! বড় ঘোষণা করলেন আম্বানি!
Mukesh Ambani Reveals Some Roadmap in RIL Annual Report.Image Credit source: Getty Images

| Edited By: Moumita Das

May 30, 2026 | 4:38 PM

কলকাতা : রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক মুকেশ আম্বানি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তাদের ডিজিট্যাল কোম্পানি জিও (Jio) খুব তাড়াতাড়ি শেয়ার বাজারেও বিনিয়োগ করতে চলেছে। শোনা গিয়েছে,এর মূল্য হবে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের সবচেয়ে বড় শেয়ার বাজার এন্ট্রি হতে চলেছে। কিন্তু, যেহেতু এই মুহূর্তে শেয়ার বাজারে মন্দা চলছে, তাই আদৌ এই শেয়ার কবে আসবে, তার কোনও তারিখ জানানো হয়নি। জিও-র আইপিওর পাশাপাশি রিলায়েন্স আরও দুটি ক্ষেত্রে তাদের বিশাল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানিয়েছে।

১- গ্রিন এনার্জি : ভারতকে জ্বালানি ক্ষেত্রে স্বনির্ভর করতে গুজরাটের জামনগরে একটি বিশাল গ্রিন এনার্জি কমপ্লেক্স গড়ে তুলছে রিলায়েন্স। সেখানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যাটারি স্টোরেজ প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধের মধ্যেই পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়ে যাবে। এই মুহূর্তে তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য, বছরে ৪০ গিগাওয়াট/আওয়ার পাওয়ার দিয়ে উৎপাদন শুরু করে তা ১০০ গিগাওয়াট/আওয়ার পাওয়ারে নিয়ে যাওয়া। এছাড়া, ২০৩২ সালের মধ্যে বিশ্ববাজারের জন্য বছরে ৩ মিলিয়ন টন গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন করার ভাবনা রয়েছে ও ইতিমধ্যেই সোলার প্যানেল সরবরাহ শুরু করা হয়েছে কোম্পানির মাধ্যমে।

২- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য : এছাড়াও তাদের বানানো ‘রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেড’ আগামী এক দশকের মধ্যে উন্নতি লাভ করতে চলেছে। চাল, ডাল, তেলের মতো দরকারি জিনিস ও পানীয়ের হাত ধরে গত ১ বছরে কোম্পানির আয় দ্বিগুন হয়ে ২২ হাজার কোটি টাকার মাত্রা ছুঁয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই আয় আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে বিশ্বমানের একটি ব্র্যান্ডেড কনজিউমার প্রোডাক্ট কোম্পানি হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তাঁদের।

সহজ কথায়, মুকেশ আম্বানি রিলায়েন্সকে শুধু তেল বা মোবাইলের চেনা গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখতে চান না। বরং ব্যাটারি, সৌরশক্তি ও ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাজারেও বিশ্বসেরা হওয়ার জন্য তাঁরা কোমর বেঁধে নেমেছেন। এই বহুমুখী পদক্ষেপের দলে আগামী দিনে রিলায়েন্স এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাবে ও ভারতের অর্থনীতিতেও এক বিশাল পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Follow Us