
নয়া দিল্লি: রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার বড় আপডেট। ২০০০ টাকার নোট নিয়ে এল খবর। যাদের কাছে এখনও ভুলবশত বা অন্য কোনও কারণে ২০০০ টাকার নোট থেকে যায়, তারা কি এখন সেই নোট কোথাও দিতে পারবেন বা পরিবর্তন করবেন? কী বলছে আরবিআই?
২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর নোটবন্দি হয়। তখন আনা হয়েছিল ২০০০ টাকার নোট। তবে বেশিদিন এই নোট প্রচলিত ছিল না। ২০২৩ সালের ১৯ মে আরবিআই বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট প্রত্য়াহার বা তুলে নেওয়ার ঘোষণা করে। সেই সময় বাজারে প্রায় ৩.৫৬ লক্ষ কোটি টাকার নোট প্রচলিত ছিল। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ টাকার মোট যত নোট ছিল, তার ৯৮.৪৭ শতাংশ ইতিমধ্যেই আরবিআই-এর কাছে ফেরত এসেছে। বর্তমানে জনসাধারণের কাছে ৫,৪৫১ কোটি টাকা মূল্যের ২০০০ টাকার নোট রয়েছে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সাফ জানিয়েছে যে ২০০০ টাকার নোট এখনও বৈধ নোট। এটিকে এখনও অবৈধ বলা যাবে না। তবে এই নোট লেনদেন বা কেনাকাটায় ব্য়বহার করা যাবে না।
শুরুতে যে কোনও ব্যাঙ্কের শাখাতে গিয়ে ২০০০ টাকার নোট পরিবর্তন করা যাচ্ছিল। তবে সেটি ২০২৩ সালের শেষভাগ পর্যন্তই করা গিয়েছে। তারপর দুটি পদ্ধতিতে পুরনো ২০০০ টাকার নোট পরিবর্তন করার কথা বলেছে আরবিআই।
২০০০ টাকার নোট বিনিময় করতে বা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দিতে আরবিআই-এর আঞ্চলিক কার্যালয়ে সরাসরি যেতে পারেন। সারা দেশে মোট ১৯টি কার্যালয় আছে আরবিআই-র। বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, মুম্বই, নয়া দিল্লি, কলকাতার মতো প্রধান শহরগুলিতে রয়েছে এই কার্যালয়গুলি।
যারা সরাসরি আরবিআই অফিসে যেতে পারছেন না, তারা দেশের যেকোনও ডাকঘর থেকে নিরাপদে ২,০০০ টাকার নোট ডাকযোগে আরবিআই অফিসে পাঠাতে পারেন। নোটগুলি আরবিআই-তে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই ওই টাকা সরাসরি গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যাবে।