Elon Musk First Trillionaire: বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নার’ ইলন মাস্ক! শেয়ার বাজারে Space-X এসেই লিখল ইতিহাস

Richest Man in the World: টেসলা প্রধান এলন মাস্ক জানিয়েছেন, মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠানো ও বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের স্থায়ী বসতি বা কলোনি গড়ে তোলার স্বপ্নের জন্যই স্পেস-এক্সের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।

Elon Musk First Trillionaire: বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নার’ ইলন মাস্ক! শেয়ার বাজারে Space-X এসেই লিখল ইতিহাস
বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক।Image Credit source: Getty Image

|

Jun 13, 2026 | 8:23 AM

ক্যালিফোর্নিয়া:  বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক (Elon Musk)। এবার তিনি আরও এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম ‘ট্রিলিয়নার’ (Trillionaire) হলেন ইলন মাস্ক। মাস্কের সম্পত্তি এখন ১ লক্ষ কোটি বা ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক।  শেয়ার বাজারে তাঁর রকেট ও মহাকাশযান সংস্থা ‘স্পেস-এক্স’ (SpaceX) পা রাখতেই এই ম্যাজিক ঘটল।

লক্ষ কোটির সম্পত্তি মাস্কের

শেয়ার মার্কেটে এসেছে স্পেস-এক্সের আইপিও। প্রথম দিনেই কোম্পানির শেয়ারের দাম ১১ শতাংশ লাফিয়ে ১৫০ ডলারে পৌঁছয় এবং পরে তা আরও বেড়ে প্রায় ১৭২ ডলার হয়ে যায়। স্পেস-এক্স কোম্পানির মোট বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২.১৮ ট্রিলিয়ন ডলার।

প্রাথমিক পাবলিক অফার বা আইপিও (IPO)-তে স্পেস-এক্সের শেয়ারের দাম ১৩৫ ডলার থেকে সরাসরি ১৫০ ডলারে উঠে যাওয়ার পরেই, মাস্কের মোট সম্পত্তি ট্রিলিয়নের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলে।

বর্তমানে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের মূল উৎস হল স্পেস-এক্স এবং গাড়ি তৈরির কোম্পানি টেসলা (Tesla)-র শেয়ার। এ ছাড়াও নিউরোলিঙ্ক (মস্তিষ্কের প্রযুক্তি তৈরির কোম্পানি) এবং দ্য বোরিং কোম্পানির (টানেল তৈরির সংস্থা) মতো বড় বড় সংস্থায় তাঁর মালিকানা রয়েছে।

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসেই অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যক্তির স্থান দখল করেন ইলন মাস্ক। সেই সময় টেসলার শেয়ারের দাম বেড়ে তাঁর মোট সম্পদ ১৮৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

কেন হঠাৎ শেয়ার বাজারে এল স্পেস-এক্স?

টেসলা প্রধান এলন মাস্ক জানিয়েছেন, মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠানো ও বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের স্থায়ী বসতি বা কলোনি গড়ে তোলার স্বপ্নের জন্যই স্পেস-এক্সের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। আর সেই কারণেই কোম্পানিটিকে শেয়ার বাজারে আনা হয়েছে।

মঙ্গল গ্রহে ১০ লাখ মানুষের কলোনি বানানোর পরিকল্পনা মাস্কের। পাশাপাশি মহাকাশে ফুটবল মাঠের মতো বিশাল আকৃতির ডেটা সেন্টার চালু করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ব্যবসায় ওপেনএআই (OpenAI) ও অ্যানথ্রপিক (Anthropic)-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের টেক্কা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্পেস-এক্স।

তবে এই আকাশছোঁয়া স্বপ্ন পূরণ করতে স্পেস-এক্সের আরও শত শত কোটি ডলারের প্রয়োজন, যা তাদের বর্তমান রকেট ও স্যাটেলাইট ব্যবসা থেকে পাওয়া আয়ের চেয়ে অনেক বেশি। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির প্রায় ৮.৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

টাকা-পয়সা আর লাগবে না, চাকরি হবে কেবল ‘শখ’-

গত বছরই এক সাক্ষাৎকারে ইলন মাস্ক দাবি করেছিলেন যে ভবিষ্যতে মানুষের কাছে টাকা-পয়সার কোনও মূল্য থাকবে না এবং চাকরি করাটা বাধ্যতামূলক থাকবে না। মাস্কের মতে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এবং মানুষের মতো দেখতে রোবটরা (Humanoid Robots) ভবিষ্যতে এতটাই উৎপাদনশীল ও দক্ষ হয়ে উঠবে যে সমাজে আর কোনও দারিদ্র্য থাকবে না। ফলে টাকা-পয়সার আর কোনও প্রয়োজন থাকবে না এবং বেশিরভাগ চাকরি তখন মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক কাজ না হয়ে কেবল একটি শখ বা অবসরের বিনোদন হয়ে দাঁড়াবে।

Follow Us