
স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া বা সিডবি-র ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে এসে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দেশের অর্থনীতি নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন ও জানিয়েছেন যে বিশ্বের নানা সঙ্কটের মধ্যেও বর্তমান ভারতের অর্থনীতি বেশ শক্তিশালী রয়েছে। (Credit - Getty Images)

পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের কথা মাথায় রেখেও অর্থমন্ত্রী সোমবার ফুয়েল বা জ্বালানি, ফর্টিলাইজার বা সার এবং ফরেক্স বা বৈদেশিক মুদ্রা - এই তিনটি বিষয়ের (3Fs) ওপর আরও করে গুরুত্ব দেওয়ার এবং বিশেষ মনোযোগ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। (Credit - Getty Images)

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বানের পর কিছু মানুষের তৈরী করা নেতিবাচক ও হতাশাজনক পরিবেশের তীব্র সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি সাফ জানান, দেশে অযথা ভয় ছড়ানোর কোনও সুযোগ নেই ও এই সময়ে জনগণের সরকারের উপর আস্থা রাখা অত্যন্ত জরুরি। (Credit - Getty Images)

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য ভারত সরকারের যাবতীয় প্রক্রিয়া একটি ভারসাম্য পূর্ণ পদ্ধতিতে তৈরী করা হয়েছে বলে জানান সীতারামন। তিনি বলেন যে, কিছু লোক দাবি করছে যে সবকিছু নষ্ট হয়ে গিয়েছে, যা সত্যি নয়। (Credit - Getty Images)

দেশের আমজনতাকে স্বস্তি দিতে ডিজেল ও পেট্রলের উপর আবগারি শুল্ক কমানোর কারণে দেশের প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব ক্ষতি হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ও সারের দাম বর্তমানে খুব বেড়ে গিয়েছে। (Credit - Getty Images)

বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের দাম বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরে সোনার দাম ভারতের ফরেক্স বা বৈদেশিক মুদ্রা খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরী করেছে। আর এই কারণেই দেশের অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশিকাগুলি বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। (Credit - Getty Images)

অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মূলত দেশের বাইরের আন্তর্জাতিক কারণের জন্যই হয়েছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ইতিবাচক রয়েছে। তাই দেশবাসীর ভাল কাজগুলোকে ভুলে গিয়ে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরী করা সম্পূর্ণ অনুচিত। (Credit - Getty Images)

ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ছোট শিল্পগুলোর ৮.১ লক্ষ কোটির টাকা বকেয়া থাকায় তাদের কার্যকরী মূলধন কমছে। এরই পাশাপাশি দেশেরও অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। তাই অর্থমন্ত্রী সব সরকারি সংস্থাকে কড়া নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছেন যে, ৪৫ দিনের নির্দিষ্ট সময়সীমার বাইরে এমএসএমই-দের অর্থ পরিশোধ করা যাবে না। (Credit - Getty Images)