Amitabh Bachchan: বন্ধ কৌন বনেগা ক্রোড়পতির শুটিং, গুরুতর অসুস্থ অমিতাভ?

KBC Shoot Halted: সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে বিশেষ পর্বটির শুটিং শেষ হয়েছিল, সেখানে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী ও রবি দুবে। তাঁদের আসন্ন মেগা প্রজেক্ট ‘রামায়ণ’ (Ramayan)-এর প্রচারের জন্যই তাঁরা এই ক্যুইজ শোয়ে অংশ নিয়েছিলেন। মূলত ছবির মুক্তির সময়ের সঙ্গেই ওই পর্বটি প্রচার করার পরিকল্পনা ছিল নির্মাতাদের।

Amitabh Bachchan: বন্ধ কৌন বনেগা ক্রোড়পতির শুটিং, গুরুতর অসুস্থ অমিতাভ?

|

Nov 07, 2026 | 3:13 PM

বলিপাড়ায় ফের একবার  অমিতাভ বচ্চনের স্বাস্থ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। গত এক সপ্তাহ ধরে তাঁর জনপ্রিয় রিয়ালিটি ও কুইজ শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (KBC)-এর শুটিং সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।  সূত্রের খবর অনুযায়ী, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই সাময়িকভাবে শুটিং থামিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন নির্মাতারা।

সংবাদসংস্থা আইএএনএস-এর তথ্য অনুযায়ী, ৮৩ বছর বয়সি এই কিংবদন্তি অভিনেতা বিগত কয়েক দিন ধরে একেবারেই সুস্থ বোধ করছেন না। তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই নতুন পর্বের শুটিং সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দর্শকদের বিনোদন বজায় রাখতে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ দীপাবলি স্পেশাল সপ্তাহের অংশ হিসেবে পুরনো কিছু এপিসোডই পুনরায় সম্প্রচার করছে।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে বিশেষ পর্বটির শুটিং শেষ হয়েছিল, সেখানে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী ও রবি দুবে। তাঁদের আসন্ন মেগা প্রজেক্ট ‘রামায়ণ’ (Ramayan)-এর প্রচারের জন্যই তাঁরা এই ক্যুইজ শোয়ে অংশ নিয়েছিলেন। মূলত ছবির মুক্তির সময়ের সঙ্গেই ওই পর্বটি প্রচার করার পরিকল্পনা ছিল নির্মাতাদের। কিন্তু অমিতাভের হঠাৎ অসুস্থতার জেরে সমস্ত পরিকল্পনা বদলাতে বাধ্য হয় টিম। ছবির মুক্তির আগে গত সপ্তাহেই দীপাবলি স্পেশাল হিসেবে সেই ‘রামায়ণ’ টিমকে নিয়ে করা এপিসোডটি সম্প্রচার করতে শুরু করে চ্যানেল।

তবে অনুরাগীদের জন্য স্বস্তির খবর হল, বিগ বি-র শারীরিক পরিস্থিতির উন্নতি হলে খুব শীঘ্রই ফ্লোরে ফেরার কথা রয়েছে। ওই সূত্র জানিয়েছে, “সব ঠিক থাকলে এবং অমিতাভজি সুস্থ বোধ করলে আগামী সপ্তাহ থেকেই ফের শুটিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

এদিকে, কাজের দুনিয়ায় ফেরার এই ধীর প্রক্রিয়া ও নিজের দৈনন্দিন রুটিন নিয়ে গত শনিবার নিজের অফিসিয়াল ব্লগেও কলম ধরেছেন স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন। নিজের শারীরিক অবস্থার পরোক্ষ ইঙ্গিত দিয়ে তিনি লেখেন, “… এবং কাজের রুটিন ও নিয়মের মধ্যে একটি মন্থর কিন্তু স্থির প্রত্যাবর্তন… কাজের মধ্যে থাকা অবস্থায় রুটিন মনে থাকে… কিন্তু না থাকলে সেই রুটিনেরও নিজস্ব একটা মেজাজ তৈরি হয়… যা ব্যাখ্যা করা যায় না… এবং যা আগের মতো আর কখনও হয় না।”

স্মৃতিশক্তি ও বয়সের ভার নিয়ে ব্লগের শেষভাগে একটি চেনা মেজাজে তিনি লেখেন, “ওহ! আমার চশমাটা কোথায় রাখলাম… মোবাইলটা… আর সবচেয়ে বড় কথা… আমার ঠিক এর পরে কী করার কথা ছিল… মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে করে যাওয়া কাজগুলোও যেন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যায়… অথচ ১৯৬০ সালে স্কুলের অষ্টম শ্রেণি কেমন ছিল, তা একদম হাতের মুঠোয়… ৬৪ বছর আগের স্মৃতি একদম পরিষ্কার… আর এখন… কেবলই খুঁজে চলা! কিন্তু…”

 

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us