
পাল্টাচ্ছে ছবির ধাঁচ, পাল্টে যাচ্ছে পর্দার উপস্থাপনা, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাড়ছে ভারতীয় ছবির পরিচিতি, কদর, সম্মান। TV9 নেটওয়ার্ক আয়োজিত গ্লোবাল সামিটে আয়ুষ্মান খুরানা এদিন একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিলেন, তা হল বাণিজ্যিক ছবি আর ফেস্টিভ্যালের ছবির মধ্যে একটা সাধারণ পার্থক্য বর্তমান। আয়ুষ্মান খুরানা বলেন, ”দিন দিন ভারতের দর্শক পরিণত হচ্ছেন। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে এমনটা বলার কোনও জায়গা নেই যে, ‘চিত্রনাট্যের এই অংশ আমায় কেন্দ্রিক নয়’।”
আয়ুষ্মান যে কাজটা কোনওদিন করেননি। বর্তমান ভারতের ছবি তাই এমনই অভিনেতাদের এগিয়ে রাখছে। বর্তমানে সকলেই তাকিয়ে রয়েছেন ভারতের দিকে। আয়ুষ্মান গর্ব করে বলেন, ”আমার মনে হয় আমরা দারুণ একটা যুগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। এখন আমাদের ছবি আন্তর্জাতিক স্তরে সম্মানিত হচ্ছে। এটা আমাদের গর্বের সময়। আমার মনে হয়, আমাদের আরও গভীরে যাওয়া উচিত। আমাদের ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতির এই যে বিভিন্নতা, যা মাঝে মধ্যেই সেলুলয়েডের অংশ হয়ে ওঠে, তা এভাবে আন্তর্জাতিক স্তরে মান্যতা পাচ্ছে, এটাই তো বড় পাওয়া। আন্ধাদুন চিনে ভীষণ ভাল চলে, কান্তারা অনেক ক্ষেত্রে পাল্টে দেয় ছবির চেনা সমীকরণ।”
গান, কনসার্ট, সিনেমা, পাশাপাশি সমাজসেবা, সবটা একাধারে সামলে চলা আয়ুষ্মান এতটা সময় পান কীভাবে? অভিনেতার কথায়, ”একাধিক কাজ একই সময় সামলানোর ক্ষেত্রে আমি ভীষন খারাপ। আমি বছরে তিনটে ছবি করি সেই কারণে। ২০২৪-এ এসে আমি গানে নজর দিয়েছি। আমি পরিকল্পনা করেছি, এবার আমি বেশি করে গাইব। গান নিয়ে চর্চা করব। একটা সময় ছিল যখন এই ধারণাগুলো তৈরি হয়, সিক্যুয়েল চলবে,বিগ বাজেট ছবি চলবে, তবে ২০২৩ সাল সবটা পাল্টে দিয়ে যায়। যেখানে সরব ধরনের ছবিকে চলতে দেখা যায়। জওয়ান, অ্যানিম্যাল চলেছে, ড্রিম গার্ল ২ চলেছে, আবার টুইয়েলভথ ফেইল খুব ভাল করেছে।”
ছবি আন্দর্জাতিক স্তরে জায়গা করা নিয়ে, ফেস্টিভ্যাল প্রসঙ্গে এক অন্য সমীকরণ সামনে আনেন। তাঁর কথায়, ”আসলে ফেস্টিভ্যালের ক্ষেত্রে ছবির কিছু নির্দিষ্ট ব্যকারণ থাকতে হয়। যেখান বিভিন্ন ছবির ক্ষেত্রে বদল হতে থাকে। বাণিজ্যিক ছবির ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ই সেই ব্যকারণটা দেখা যায় না।”