হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, শেষে জাকিরের কাছে হার মানতে হয়েছিল অমিতাভকে!কিন্তু কেন?

শিল্পী পরিবারে জন্ম। রক্তে মিশেছিল সেই সত্ত্বা। সেই কারণেই নিজের ভিতর থেকে শিল্পীসত্ত্বাকে খুঁজতে বেশি সময় লাগেনি। নেশাকেই পেশা বানিয়েছিলেন তিনি। উস্তাদ জাকির হুসেন। শুধু যে গুণী মানুষ ছিলেন তিনি তা নয়। উস্তাদের বাহ্যিক সৌন্দর্যও ছিল তেমনই আকর্ষণীয়।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, শেষে জাকিরের কাছে হার মানতে হয়েছিল অমিতাভকে!কিন্তু কেন?

| Edited By: উত্‍সা হাজরা

Dec 17, 2024 | 4:41 PM

শিল্পী পরিবারে জন্ম। রক্তে মিশেছিল সেই সত্ত্বা। সেই কারণেই নিজের ভিতর থেকে শিল্পীসত্ত্বাকে খুঁজতে বেশি সময় লাগেনি। নেশাকেই পেশা বানিয়েছিলেন তিনি। আর তার জন্যই হয়তো আজ সকলের উস্তাদ তিনি। উস্তাদ জাকির হুসেন। ভারতের এই প্রতিভা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছিলেন যে শুধু সঙ্গীতকে সঙ্গত দেওয়ার জন্য নয়, বাদ্যযন্ত্রই আলাদা সঙ্গীত হয়ে উঠতে পারে। শুধু যে গুণী মানুষ ছিলেন তিনি তা নয়। উস্তাদের বাহ্যিক সৌন্দর্যও ছিল তেমনই আকর্ষণীয়। তাবড় তাবড় নায়ক তাঁর কাছে হেরে বসেছিলেন। তাই তো ‘সেক্সিয়েস্ট ম্যান’ হিসাবে বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনকে পিছনে ফেলে দেন তিনি। ‘জাকির হুসেন: আ লাইফ ইন মিউজিক’ বইয়ের জন্য লেখক নাসরীন মুন্নী কবীরকে দেওয়া এক সাক্ষাত্‍কারে এ কথা নিজেই বলেছিলেন উস্তাদজি। ৩০ বছর আগের কথা।

১৯৯৪ সালে ভারতীয় ম্যাগাজিন ‘জেন্টলম্যান’-এর মহিলা পাঠকেরা ভোট প্রদানের মাধ্যমে ‘সেক্সিয়েস্ট ম্যান’ হিসাবে বিজয়ী করেছিলেন তাঁকে। সেই প্রতিযোগিতায় নাম ছিল বিগ বি’রও। অনেকগুলো ভোটে উস্তাদজির থেকে পিছিয়ে পড়েন নায়ক। পিটিআই সূত্রে খবর, এ প্রসঙ্গে একবার জাকির হুসেন বলেছিলেন, “ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। ওঁরা চেয়েছিলেন যে আমি স্যুট এবং জ্যাকেটের মতো পশ্চিমী পোশাক পরে ওঁদের প্রচ্ছদে জন্য যেন ছবি তুলি। এই প্রস্তাব আমার কাছে আনলেও, ওঁরা যে বেশ অবাক হয়েছিলেন তা বলাই যায়। আসলে ওঁরা ভাবতেই পারেননি যে আমি সর্বাধিক সংখ্যক ভোটে জিতব। কারণ ওঁরা আগে থেকেই ধরে নিয়েছিল যে, বিজয়ী হবেন অমিতাভ বচ্চন।”

উল্লেখ্য, গত ১৫ ডিসেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোর একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। রবিবার রাতেই তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল, কিন্তু পরিবারের তরফে সে সময়ে জানানো হয়, সঙ্কটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি তিনি। সোমবার ভোরে পরিবারের তরফেই দুঃসংবাদ দেওয়া হয়। পরিবারের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইডিওপ্যাথিক পুলমোনারি ফাইব্রোসিসর সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৩।

Follow Us