
বার্কের নির্দিষ্ট গ্রুপে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর রেটিং এসেছে ১.১ আর ১.৬। সাড়ে চারটের স্লটের রেটিং ১.১। পাঁচটার স্লটের রেটিং ১.৬। অন্য অনুষ্ঠানের তুলনায় এই রেটিং অনেকটা কম। বিরোধী বিনোদন চ্যানেলে রেটিং যথাক্রমে ১.৩ আর ১.৫। ১.১ রেটিং দেখেও চ্যানেলের মনে হতেই পারে যে অ্যাঙ্কর বদল দরকার।
যদিও কেন অ্যাঙ্কর বদল করা হলো, সেই ব্যাপারে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি চ্যানেলের তরফে। এদিকে সামনের সোমবার থেকে রাত দশটার পর দেখা যাবে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’। ওই সময়ে কীরকম রেটিং আসে, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শকরা। ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ এবং রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন সমার্থক ছিলেন এত দিন। ২০১০ থেকে হচ্ছে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ শো। ২০১১-তে এই শোয়ের সঞ্চালক হিসাবে যোগ দেন রচনা। রচনা এই শোয়ে আসার পরও জুন মালিয়া সঞ্চালনা করেছিলেন এই শোয়ের সিজন থ্রি। তারপর রচনা ফিরে আসেন। ২০১৩-তে আবার বদলে দেওয়া হয় সঞ্চালক। তখন দেখা গিয়েছিল দেবশ্রী রায়কে, রচনার জায়গায়। তবে ২০১৪ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত, মানে প্রায় ১২ বছর এই শোয়ের সঞ্চাবক বদল হয়নি! রচনাকে ফিরিয়ে আনার পর তিনিই সবচেয়ে বেশি এপিসোডের শুটিং করেছেন।
লক্ষণীয় এই শোয়ে ২০২৪ সালের মার্চ আসে রচনার ডাকে আসেন তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনার শোয়ে এসে রুটি বেলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই ভিডিয়ো ছিল ভাইরাল। এরপর ২০২৪-এ সাংসদ হওয়ার জন্য সবুজ শিবিরের টিকিট পেয়ে যান রচনা। ২০২৬-এর ৪মে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে সবুজ শিবিরের হার হয়েছে। তারপরই তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের মধ্যে নাম লিখিয়েছেন রচনা, যা নিয়ে এখন চর্চা তুঙ্গে।