
তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে উন্নয়েনর পাঁচালী গেয়ে সমাজ মাধ্যমে ট্রোলিংয়ের মুখে পড়েছিলেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। ইমনকে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই প্রস্তাব তিনি নেননি। সবুজ শিবিরের প্রচারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
বঙ্গে নতুন সরকার আসার পর গায়িকা বলেছিলেন, ”আমাদের আরও অনেক বেশি করে শো হোক। লাইভ শো আমাদের প্রত্যেক শিল্পীর উপার্জনের রাস্তা। রেকর্ডিং বা অন্য় কাজে উপার্জনের রাস্তা এতটা খোলা থাকে না, যেটা খোলা থাকে শোয়ের ক্ষেত্রে। তাই আমি চাইব দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক শিল্পী যাতে কাজ করতে পারেন। আমি চাইব বাংলায় আরও বেশি করে কাজ আসুক।”
ইমন স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি একজন পেশাদার শিল্পী হিসাবেই কাজ করতে চান। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে গায়িকা বলেন, ”এই মুহূর্তে যে সরকার, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বা যাঁরা মন্ত্রী তাঁদের তরফে গানবাজনা সংক্রান্ত কিছুতে যদি আমাকে ডাকা হয়, আমি প্রথমেই যাব। আগের সরকারের জন্য উন্নয়নের পাঁচালী গেয়েও আমি টাকা পেয়েছি। টাকা ছাড়া আমি গাইনি। আর একটা বিষয় হল, আমার সব গানই হিট হয়। এই পাঁচালীও হিট হয়ে গিয়েছিল। কী আর করা যাবে!” ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে কিছু গায়িকা দুর্নীতি, স্বজনপোষণের অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়ে ইমনের প্রতিক্রিয়া, ”যেসব অভিযোগ উঠছে, সেগুলো সত্যি হলে, অত্যন্ত নিকৃষ্ট কাজ হয়েছে। দোষীদের অবশ্যই শাস্তি চাই।”