Arijit Singh: কেঁদে ফেললেন অরিজিৎ সিং, হঠাৎ কী হল গায়কের?

Shashwat Sachdev Recalls Arijit: ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে রণবীর সিংহের চরিত্রের আবেগ ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে স্টুডিওতে নিজেই কেঁদে ফেলেছিলেন অরিজিৎ সিং। সেই বিশেষ মুহূর্তের গল্প শোনালেন সুরকার শাশ্বত সচদেব। কী ঘটেছিল সেইদিন?

Arijit Singh: কেঁদে ফেললেন অরিজিৎ সিং, হঠাৎ কী হল গায়কের?
কী হয়েছে গায়কের?

Jun 14, 2026 | 8:57 AM

মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। ছবিতে অভিনেতা রণবীর সিংহের দুর্দান্ত অভিনয় যেমন প্রশংসা পেয়েছে, তেমনই দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে ছবির গানগুলো। বিশেষ করে এই ছবির ‘ফির সে নয়না ভরে’ গানটি এখন তুমুল জনপ্রিয়। বহু মানুষ লুপে শুনতে থাকেন এই গান। আর এই গানটি গাওয়ার সময় খোদ অরিজিৎ সিং (Arijit Singh) নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি, রেকর্ডিংয়ের সময়ই কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই ম্যাজিকাল মুহূর্তের গল্প শুনিয়েছেন ছবির সঙ্গীত পরিচালক শাশ্বত সচদেব।

 

শাশ্বত জানান, গানটি তাঁর নিজের লেখা এবং সুর করা, তাই এটি তাঁর মনের খুব কাছের গান রাগ খামাজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই গানে রমনা বালাচন্দ্রনের বীণার সঙ্গত ব্যবহার করা হয়েছে। সেই চেনা ক্লাসিক্যাল সুরের সঙ্গে যখন অরিজিতের ম্যাজিকাল গলা মিশে, স্টুডিওতে এক অদ্ভুত পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গানটি গাওয়ার পর অরিজিৎ এতটাই ইমোশনাল হয়ে পড়েছিলেন যে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। শাশ্বতের কথায়, রেকর্ডিং শেষে অরিজিৎ তাঁকে জড়িয়ে ধরে জানান যে এই গানটি তাঁর মন ছুঁয়ে গিয়েছে এবং এই গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা তিনি কোনওদিন ভুলবেন না।

 

আসলে এই গানটি ছবির গল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ব্যবহার করা গিয়েছে। দীর্ঘ কয়েক বছর গুপ্তচর হিসেবে পাকিস্তানে কাটানোর পর রণবীর সিংহ যখন নিজের গ্রামে ফেরেন, সেই সময়ের আবেগঘন মুহূর্তে গানটি ব্যাকগ্রাউন্ডে বেজে ওঠে। শাশ্বত জানান, অরিজিৎ খুব ভালো করেই বুঝেছিলেন যে এই দৃশ্যটির জন্য কেমন গভীরতা প্রয়োজন। আর সেই কারণেই তিনি গানটির ভেতর নিজের সবটুকু আবেগ ঢেলে দিয়েছিলেন।

 

পরিচালক আদিত্য ধরের সঙ্গে শাশ্বতের এই জুটির রসায়ন অবশ্য বেশ পুরনো। ২০১৬ সাল থেকে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করছেন। শাশ্বত জানান, যখন ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর কোনও চেনা পরিচিতি ছিল না, তখনও আদিত্য তাঁর ওপর ভরসা রেখেছিলেন। সেই বিশ্বাসের মর্যাদা দিতেই মাত্র ১১ দিনে ১৪টি গান এবং মাত্র ৩ দিনে পুরো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর তৈরি করার মতো অসম্ভব চ্যালেঞ্জ সামলেছেন তিনি।

Follow Us