Uttam Kumar Film Centre: সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা হতে চলেছেন মিঠুন, ২৫ কোটি খরচ করে ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’ তৈরি করছেন শুভেন্দু

Bhumi Puja: নিউটাউনে মহানায়কের স্মৃতিতে গড়ে উঠছে আধুনিক ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’। ২৫ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের ভূমিপুজো সুসম্পন্ন হল একঝাঁক তারকার উপস্থিতিতে। দুটি সিনেমা হল, ওপেন থিয়েটার থেকে অত্যাধুনিক অ্যানিমেশন ল্যাব, কী কী থাকছে এই আন্তর্জাতিক মানের সেন্টারে? মিঠুন চক্রবর্তীকে দেওয়া হচ্ছে বড় দায়িত্ব, আয়োজক হিসেবে প্রশংসিত যিশু সেনগুপ্ত। দেখে নিন বিস্তারিত।

Uttam Kumar Film Centre: সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা হতে চলেছেন মিঠুন, ২৫ কোটি খরচ করে উত্তম কুমার  ফিল্ম সেন্টার তৈরি করছেন শুভেন্দু
কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

Sep 04, 2026 | 12:47 PM

বাঙালির আবেগের অপর নাম উত্তম কুমার। সেই মহানায়কের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে নিউটাউনে গড়ে উঠতে চলেছে এক অত্যাধুনিক ফিল্ম সেন্টার। সম্প্রতি ধুমধাম করে সুসম্পন্ন হল এই প্রস্তাবিত সেন্টারের ভূমিপুজো। রাজ্যজুড়ে তো বটেই, সোশাল মিডিয়াতেও এই অনুষ্ঠান ট্রেন্ডিং তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার এই আয়োজনকে ঘিরে চলচ্চিত্র জগৎ ও প্রশাসনিক মহলে ছিল চোখে পড়ার মতো উদ্দীপনা।

এই মেগা প্রকল্পের রূপরেখা স্পষ্ট করে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সেন্টারের জন্য আপাতত ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জমির সয়েল টেস্ট ও সাইট সিলেকশন শেষ। পুরো কমপ্লেক্সটি মূলত তিনটি ভাগে তৈরি হবে। প্রথম ভাগে থাকবে প্রিভিউ থিয়েটার, ফুড কোর্ট, পার্কিং ব্যবস্থা এবং ৭৫০ আসনের দুটি আধুনিক সিনেমা হল  দ্বিতীয় ভাগে তৈরি হচ্ছে ১০০০ আসনের একটি সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাগৃহ এবং সঙ্গে একটি ওপেন থিয়েটার। তৃতীয় অংশে থাকছে আধুনিক ল্যাব ও অ্যানিমেশন স্টুডিও সহ একাধিক যুগোপযোগী সুবিধা।

মহানায়কের জন্মতিথি স্মরণ করে তিনি জানান, তিথি অনুসারে ৩ তারিখ জন্মাষ্টমীর দিন উত্তম কুমার জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “আমি নিজে সব সময় সময় দিতে পারি না, তবে আমার বোন পূর্ণিমা চক্রবর্তী (প্রতিমন্ত্রী) পুরো বিষয়টি দেখাশোনা করছেন।” পাশাপাশি বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের অদম্য উৎসাহকে তাঁদের কাজের বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। খুব শীঘ্রই অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে কালচারাল অ্যাডভাইজার বা সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা করা হতে চলেছে। মহানায়কের জন্মশতবার্ষিকী কমিটির সঙ্গে নবান্নে আরও একবার বৈঠক সেরে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর সাফ কথা, “সব জায়গায় নাক গলানো আমাদের কাজ নয়। যাঁদের যেটা কাজ, তাঁদের নিয়েই তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।” তিনি আরও যোগ করেন, “আজ থেকে দু’শো বছর পর আমরা হয়তো কেউ থাকব না, কিন্তু এমন কিছু সৃষ্টি করে রেখে যেতে হবে যা বাংলা ও বাঙালি আজীবন মনে রাখবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। রঞ্জিত মল্লিক, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অর্জুন সিংহ এবং মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল উপস্থিতির তালিকা ছিল নজরকাড়া। অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের অক্লান্ত পরিশ্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে শুভেন্দু জানান, গতকাল থেকেই পুরো অনুষ্ঠানের আয়োজনের হাল ধরেছেন যিশু। অভিনেতা হিসেবে নয়, বরং একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে পাশে থেকে তিনি যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us